বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ২৬ শে সেপ্টেম্বর…..২৫ শে সেপ্টেম্বর দিনটি ছিল ত্রিপুরা রাজ্যের গ্রন্থাগার আন্দোলনের জনক মহারাজা বীরচন্দ্র মানিক্য জন্মদিন।এই দিনটিকে সামনে রেখে আর্থাৎ ত্রিপুরার গ্রন্থাগার আন্দোলনের পথপ্রদর্শক ও অন্যতম শিক্ষানুরাগী,কবি, সঙ্গীতজ্ঞ ছিলেন ত্রিপুরার মানিক্য রাজবংশের জ্যেষ্ঠ মহারাজা বীরচন্দ্র মানিক্য।
১৮৩৯ সালের ২৫ শে সেপ্টেম্বর তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ত্রিপুরা তথা উত্তর- পূর্ব ভারতের অন্যতম কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার যা বর্তমানে বীরচন্দ্র ষ্টেট সেন্ট্রাল লাইব্রেরী নামে পরিচিত সেই গ্রন্থাগারটির প্রথম গোড়াপত্তন করেন মহারাজা বীরচন্দ্র মানিক্য। মহারাজের নামানুসারেই এই গ্রন্থাগারটির নামাকরন হয় বীরচন্দ্র ষ্টেট সেন্ট্রাল লাইব্রেরী।মহারাজা বীরচন্দ্র মানিক্যের জন্মদিনটি সারা ত্রিপুরার বিভিন্ন গ্রন্থাগারে পালন করা হয়। সারা রাজ্যের সাথে খোয়াই জেলা গ্রন্থাগারে ও যথাযোগ্য মর্যাদায় মহারাজের জন্মদিনটি ২৫ শে সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় পালন করা হয়। মহারাজার প্রতিকৃতিতে ফুলের মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান খোয়াই জেলা গ্রন্থাগারের গ্রন্থাগারিক জহরলাল দাস, বিশিষ্ট সমাজসেবক শঙ্কর রায়,বাচিক শিল্পী সৌরপ্রতিম শর্মাসহ আরো অনেক শিল্পী সাহিত্যিক ও সুধীজনরা।এর পর মহারাজা বীরচন্দ্র মানিক্যের কর্মময় জীবন, সাহিত্য কৃতি এবং শিক্ষায় তাঁর অবদান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন খোয়াই জেলা গ্রন্থাগারের গ্রন্থাগারিক জহরলাল দাস। অনুরূপ ভাবে কমলপুর বিমল সিংহ স্মৃতি গ্রন্থাগারে ও মহারাজার জন্মদিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পি. এম. শ্রী দ্বাদশ শ্রেণী বালিকা বিদ্যালয়ের বিশিষ্ট শিক্ষক মহম্মদ মনোহর মিঞা, কমলপুর টাউন এস. বি বিদ্যালয়ের বিশিষ্ট শিক্ষক শ্রী সৌরব দাস, ফুলছড়ি বিদ্যালয়ের বিশিষ্ট শিক্ষকাদ্বয় যথাক্রমে শ্রীমতী ইতি শর্মা ও শ্রীমতী মিতালী দাস।মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন পি. এম. কে. সি. গার্লস দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ে বিশিষ্ট শিক্ষক মহম্মদ মনোহর মিঞা।
পরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কমলপুর বিমল সিংহ স্মৃতি গ্রন্থাগারের ভারপ্রাপ্ত গ্রন্থাগারিক জহরলাল দাস। একে একে আলোচনা রাখেন শিক্ষক মহম্মদ মনোহর মিঞা, শিক্ষক সৌরব দাস।মহারাজের জীবন ও সাহিত্য কৃতি নিয়ে বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে কূ্ইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
মহারাজ বীরচন্দ্রমানিক্যের এই জন্মদিনের অনুষ্ঠানে কমলপুর শহর এলাকার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রচুর সংখ্যক ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক শিক্ষিকা অংশগ্রহণ করেন।



