বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ৩১শে মে……স্বামী-স্ত্রীর পরিচয় দিয়ে ভাড়া বাড়িতে খোয়াই মুখ্য স্বাস্থ্য দপ্তরে কর্মরত এক সরকারি কর্মীর পরকীয়া। দিন দুপুরে সেই পরকীয়া করতে গিয়ে নিজ স্ত্রীর হাতে নাতে ধরা পড়লো নাগর স্বামী উপেন্দ্র দেববর্মা।
ঘটনার বিবরর্ণে জানা যায় খোয়াই সুভাষ পার্ক বি পি সি পাড়ার বাসিন্দা মন্টু শীল এর বাড়িতে উপেন্দ্র দেববর্মা ও বিধবা মহিলা স্বামী স্ত্রী পরিচয় দিয়ে খোয়াই মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক দপ্তরে কর্মরত উপেন্দ্র দেববর্মা নামে, সেই ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে ঐ বিধবা মহিলার সাথে পরকীয়ায় যুক্ত ছিল। গোটা ঘটনাটি নিয়ে উপেন্দ্র দেববর্মার বৈধ স্ত্রীর দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহ ছিল। শেষে উপেন্দ্র দেববর্মা কে পরকীয়া করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরে ফেলেন তার বৈধ স্ত্রী। পরবর্তীতে গোটা ঘটনাটি নিয়ে উত্তেজিত হয়ে পড়েন উপেন্দ্র দেববর্মার স্ত্রী।এই ঘটনার খবর পেয়ে প্রচুর সংখ্য স্থানীয় এলাকার জনগণ ঘটনাস্থলে জড়ো হতে থাকেন। পরবর্তীতে গোটা ঘটনাটি মহিলা থানাতে জানালে মহিলা থানার পুলিশ ওই মহিলা ও পরকীয়ায় আসক্ত উপেন্দ্র দেববর্মা কে থানায় নিয়ে যান। সব থেকে আচার্যের বিষয় পরকীয়া আসক্ত যে মহিলার সঙ্গে সেই মহিলাকে যেই ভাড়া বাড়িতে রেখেছেন সেই বাড়া বাড়ির মালিক মন্টু শীলকে স্ত্রী বলে পরিচয় দিয়েছেন। অন্যদিকে পরিচয় গোপন করে দীর্ঘদিন ধরে এই বাড়িতে পরকীয়া মত্ত ছিলেন এই উপেন্দ্র দেববর্মা বলে জানা যায়। শুধু তাই নয় উপেন্দ্র দেববর্মার দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।এর মধ্যে এক মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন।বাকি দুই সন্তান ও বিয়ের উপযুক্ত। কিন্তু বাবার এই পরকিয়ার জন্য তাদের বিয়ে হচ্ছে না বলেও জানা যায় বিভিন্ন সুত্রে।আর সেই বিধবা মহিলার ও এক উপযুক্ত কন্যা সন্তান রয়েছে।



