Tuesday, July 23, 2024
বাড়িখবরশীর্ষ সংবাদশিক্ষা দপ্তরের নির্দেশ কে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ট দেখিয়ে চুটিয়ে বিদ্যা ব্যবসার সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে...

শিক্ষা দপ্তরের নির্দেশ কে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ট দেখিয়ে চুটিয়ে বিদ্যা ব্যবসার সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে খোয়াই মহাকুমার কতিপয় শিক্ষকরা

খোয়াই প্রতিনিধি ১৯শে জুন….রাজ্য শিক্ষা দপ্তরের নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গষ্ট দেখিয়ে চুটিয়ে টিউশন বাণিজ্যের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে খোয়াই মহাকুমার কতিপয় শিক্ষকরা। শিক্ষামন্ত্রীর কড়া মনোভাব ও প্রশাসনিক নির্দেশ সত্ত্বেও বিদ্যা ব্যাপারিরা স্বমহিমায় তাদের বিদ্যা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে।এক কথায় চুটিয়ে বিদ্যা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে খোয়াই এর কয়েকটি বনেদি স্কুলের কতিপয় শিক্ষকরা। কিছুদিন আগে খোয়াইতে একটি সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে বিদ্যা ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা তথা রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রী। তাদেরকে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন সরকারি শিক্ষকরা টিউশন বাণিজ্যের সঙ্গে কোনভাবেই যুক্ত থাকতে পারবে না। দেখা গেছে রাজ্যের কয়েকটি জেলাতে কড়া মনোভাব নেওয়া হলেও খোয়াইতে যেই সেই। খোয়াইতে বেশ কিছু বিদ্যা ব্যবসায়ী শিক্ষক কে নোটিশ দেওয়া হলেও তারা নোটিশের কোন জবাব পর্যন্ত দেয় নি ।কোথায় গেল সেই শোকজ সবই আবার যেই সেই। খোয়াই জেলা শিক্ষা আধিকারিক ও প্রধানশিক্ষকদের সেই নির্দেশ দেয়া হলেও জনাকয়েক বিদ্যা ব্যবসায়ীদের টুলে গিয়ে হাজির হতে বা টিউশন বাণিজ্য বন্ধের নির্দেশ দিতে সাহস পাচ্ছে না তারা কেউ। বিদ্যা ব্যবসা করতে গিয়ে হাতে নাতে ধরা পড়ার পরও প্রশাসনিক আধিকারিকরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সাহস পায়নি। পরবর্তী সময়ে অভিভাবকদের পাঠিয়ে ওই বিদ্যা ব্যবসায়ির বিষয়টি মিটমাট করার চেষ্টা করেন কিন্তু এখন সেটা ফাইল চাপা। এরপর চুটিয়ে ফের বিদ্যা ব্যবসা করছেন ওই শিক্ষকেরা কারণ সর্ষেতেই জিন ভূত। ওঝা হয়ে কিভাবে ভূত সারাবেন ডাক্তার শিক্ষা অধিকারীক। যাদের উপর প্রশাসনিক নির্দেশ বাস্তবায়নের দায়িত্ব তাদের একাংশ চাইছেন না নির্দেশটি কার্যকরি হোক। শিক্ষা দপ্তরের কিছু আধিকারিক সরকারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের বিরোধী। তাদের একাংশের মদতেই শহরের বনেদি বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা চুটিয়ে বিদ্যাব্যবসা করছেন। অভিযোগ উঠছে দপ্তরের কোনো ভূমিকাই নেই! শহরের বনেদি বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক চুটিয়ে টুল খুলে বিদ্যাব্যবসা করছে অথচ দপ্তর কিছু জানে না তা কি বিশ্বাস করা যায় প্রশ্ন উঠচ্ছে। অভিভাবকরা নিশ্চিন্ত হয়েছিলেন প্রশাসন যেহেতু সরকারি শিক্ষকদের টিউশন নিষিদ্ধ করেছেন এবার তাহলে ছেলে মেয়েদের ভাল শিক্ষকদের কাছে পাঠানো যাবে। কিছু অভিভাবকদের বক্তব্য হলো এই বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষকের কাছে টিউশন নেওয়া বাধ্যতামূলক। সে যে রকমই পড়ান না কেন তার কাছে ছেলে-খোয়াই , ১৯ জুন।। প্রশাসনিক নির্দেশকে কলাপাতা বানিয়ে টিউশন বাণিজ্য স্বমহিমায় খোয়াইতে। শিক্ষামন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রীর কড়া মনোভাব বা প্রশাসনিক নির্দেশ সত্ত্বেও বিদ্যা ব্যাপারিরা স্বমহিমায়। চুটিয়ে বিদ্যা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে খোয়াই’র বনেদি বিদ্যালয়ের কতিপয় শিক্ষক। কিছুদিন পূর্বেও খোয়াইতে একটি সরকারি অনুষ্ঠানে বিদ্যা ব্যাপারিদের সতর্ক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাদের স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন সরকারি শিক্ষক টিউশন বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবে না। কয়েকটি জেলায় কড়া মনোভাব নেওয়া হলেও খোয়াইতে যে কে সেই। বেশ কিছু বিদ্যা-ব্যাপারী শিক্ষককে নোটিশ দেওয়া হলেও তারা নোটিশের জবাব পর্যন্ত দেয় নি! কোথায় শোকজ! সব আবার যে কে সেই। খোয়াই জেলা শিক্ষা আধিকারিক , প্রধানশিক্ষকদের দেয়া হলেও জনাকয়েক বিদ্যা ব্যাপারির টুলে গিয়ে হাজির হতে বা টিউশন বাণিজ্য বন্ধের নির্দেশ দিতে সাহস পাচ্ছে না তারা। বিদ্যা ব্যবসা করতে গিয়ে হাতে নাতে ধরা পড়েও প্রশাসনিক আধিকারিকরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সাহস পাচ্ছে না। পরবর্তী সময়ে অভিভাবকদের পাঠিয়ে ওই বিদ্যা ব্যাপারি বিষয়টি মিটমাট করার চেষ্টা করেন। এখন সেটাও ফাইল চাপা। চুটিয়ে ফের বিদ্যা ব্যবসা করছেন ওই শিক্ষকেরা । জানা গেছে সর্ষেতেই ভূত। ওঝা হয়ে কিভাবে ভূত সারাবেন ডাক্তার শিক্ষা অধিকারীক। যাদের উপর প্রশাসনিক নির্দেশ বাস্তবায়নের দায়িত্ব তাদের একাংশ চাইছেন না নির্দেশ কার্যকর হোক। শিক্ষা দপ্তরের কিছু আধিকারিক সরকারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের বিরোধী। তাদের একাংশের মদতেই শহরের বনেদি বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা চুটিয়ে বিদ্যাব্যবসা করছেন। অভিযোগ দপ্তরের কোনো ভূমিকাই নেই! শহরের বনেদি বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক চুটিয়ে টুল খুলে বিদ্যাব্যবসা করছে অথচ দপ্তর কিছু জানে না, তা কি করে হয়। অভিভাবকরা নিশ্চিন্ত হয়েছিলেন, প্রশাসন যেহেতু সরকারি শিক্ষকদের টিউশন নিষিদ্ধ করেছেন, এবার তাহলে ছেলে মেয়েদের ভাল শিক্ষকদের কাছে পাঠানো যাবে। কিছু অভিভাবকদের বক্তব্য হলো, এই বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষকের কাছে টিউশন নেওয়া বাধ্যতামূলক। সে যেই রকমই পড়ান না কেন তার কাছে ছেলে-মেয়েদের পাঠাতেই হবে। আর অভিভাবকদের পক্ষে তাদের ফি দেওয়ার পর আবার ভাল শিক্ষক রাখা সম্ভব হচ্ছেনা। এই বিষয়ে এখন অভিভাবকদেরই বক্তব্য তাদের ধারণা ভুল ছিল। সরকারের আদেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এক প্রকার ছেলেমেয়েদের তাদের কাছে টিউশন নিতে বাধ্য করছেন বিদ্যালয়ের কতিপয় শিক্ষকরা। নীরজ , মনোজ, পিন্টু ,আতিউর, লক্ষন, বিজিত, বড়ুয়া , সুদীপ সহ অন্যান্য স্যাররা একরকম হুলিয়া জারি করেছেন যে তাদের কাছে না পড়লে ইন্টারনাল নম্বর, প্র্যাকটিক্যাল নম্বর পাবে না। অভিভাবকদের একাংশের এমনটাই অভিযোগ। তারা এখন বিপদে। যাদের কাছে সরকারি আদেশ কলাপাতা তাদের সমীহ করা ছাড়া উপায় নেই। এখন আবার সবাই গেরুয়া কোম্পানির লোক বলে দাপিয়ে বেড়ায়। খোদ মুখ্যমন্ত্রী যখন কিছুই করতে পারেন নি, তাহলে তো ভূগতেই হবে। একাংশের বক্তব্য, গোটা বিষয়টি এখন হিমঘরে। বিদ্যা ব্যবসা বন্ধে বাম সরকারও কম চেষ্টা করেনি। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথও বড় বড় বুলি আওড়েছেন। কড়া মনোভাব দেখিয়েছেন। কিন্তু বিদ্যা ব্যবসা তো বন্ধ হয় নি। একই স্কুলে বছরের পর বছর বদলিহীন চাকরি করার সুযোগ নিয়ে যুগের পর যুগ ধরে বিদ্যা ব্যবসা করে নিজেদের কামাই বাণিজ্য জম্পেশ করছেন একাংশ শিক্ষক। এবার বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ড: প্রফেসর মানিক সাহা কড়া মনোভাব দেখাক এমনটাই দাবি অভিভাবকদের। যদিও শিক্ষা দপ্তর এখন মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই তবু দপ্তরে নেই সুষ্ঠু বদলিনীতি। দপ্তর এখন হরিঘোষের গোয়াল। আর সুষ্ঠু বদলিনীতি না থাকার কারণে একাংশ শিক্ষক বছরের পর বছর একই স্কুলে থাকার সুবাদে বিদ্যা ব্যবসায় মেতে উঠেছে। তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না সংশ্লিষ্ট দপ্তর। পাঠাতেই হবে। আর অভিভাবকদের পক্ষে তাদের ফি দেওয়ার পর আবার ভাল শিক্ষক রাখা অসম্ভব। কিন্তু এখন অভিভাবকদেরই বক্তব্য তাদের ধারণা ভুল ছিল। সরকারের আদেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এক প্রকার ছেলেমেয়েদের তাদের কাছে টিউশন নিতে বাধ্য করছেন বিদ্যালয়ের কতিপয় শিক্ষক। নীরজ , মনোজ, পিন্টু ,আতিকুল, লক্ষন, বিজিত, বড়ুয়া , সুদীপ স্যাররা একরকম হুলিয়া জারি করেছেন যে তাদের কাছ থেকে টিউশন না নিলে ইন্টারনাল নম্বর, প্র্যাকটিক্যাল নম্বর দেবে না।অন্যদিকে অভিভাবকদের একাংশের এমনটাই অভিযোগ করছেন যে তারা এখন মহা বিপদে। যাদের কাছে সরকারি আদেশ নির্দেশ কলাপাতা তাদেরকে ত সমীহ করে চলা ছাড়া উপায় নেই। এখনত আবার সবাই গেরুয়া ইন্ডাস্ট্রির লোক বলে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। যেখানে দাঁড়িয়ে খোদ মুখ্যমন্ত্রী যখন কিছুই করতে পারেন নি তাহলে তো ভূগতেই হবে একাংশের বক্তব্য।কথাই বলে না নেতারা দোষ করেছে জনগণ ভুগে মরবে আর এটাই চলছে আর তাতে করে গোটা বিষয়টি এখন হিমঘরে। বিদ্যা ব্যবসা বন্ধের জন্য বাম সরকারও কম চেষ্টা করেছিল। অন্যদিকে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথও এই বিষয়ে বড় বড় বুলি হাঁকিয়ে ছিলেন শেষে দেখা গেছে সবই ফুছকি বম। কিন্তু বিদ্যা ব্যবসা তো বন্ধ করতে পারেনি। অন্যদিকে একই স্কুলে বছরের পর বছর থেকে অন্য কোথাও বদলি না হয়ে দিব্বি একই স্কুলে চাকরি করার সুযোগ নিয়ে যুগের পর যুগ ধরে বিদ্যা ব্যবসা করে নিজেদের কামাই বাণিজ্যের পাহাড় ঘরে তুলেছেন একাংশ শিক্ষক। এবার বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা কি ধরনের কড়া মনোভাব দেখায় প্রত্যক্ষ করতে তাকিয়ে রয়েছে অভিভাবকরা। যদিও শিক্ষা দপ্তর এখন মুখ্যমন্ত্রীর হাতে থাকা সত্ত্বেও দপ্তরে সুষ্ঠু বদলিনীতি নেই। দপ্তর এখন ভজহরি ঘোষের গোয়ালে পরিণত হয়েছে। আর সুষ্ঠু বদলিনীতি না থাকার কারণে একাংশ শিক্ষক বছরের পর বছর একই স্কুলে থাকার সুবাদে বিদ্যা ব্যবসায় মেতে উঠেছে। তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না সংশ্লিষ্ট দপ্তর এমনকি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা শিক্ষা মন্ত্রীও।আর তাতে করে দিনের পর দিন অভিভাবক মহলে ক্ষোভের পাহাড় জমছে যা ভবিষ্যতের জন্য হিতকর নয়।

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

17 − 3 =

- Advertisment -spot_img

জনপ্রিয় খবর

সাম্প্রতিক মন্তব্য