Tuesday, July 23, 2024
বাড়িখবরশীর্ষ সংবাদপ্রয়াত খোয়াই দূরদর্শনের সাংবাদিক মানষ ভট্টাচার্যের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে তার বাড়িতে...

প্রয়াত খোয়াই দূরদর্শনের সাংবাদিক মানষ ভট্টাচার্যের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে তার বাড়িতে আসলেন দুরদর্শন এর কর্মকর্তা ও বিধায়িকা কল্যাণী রায়।

বাসুদেব ভট্টাচার্য খোয়াই ১লা মে….একেই বলে বিধির বিধান ।বিধির বিধানকে কেউ খন্ডাতে পারে না তাইতো আমরা ঈশ্বরকে খুব নির্দয় বলে থাকি।অকালে এবং অসময়ে যখন বিধাতা তার কাছে কাউকে টেনে নেয় অমরা সাংসারিক জীব তা মেনে নিতে পারি না।সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কাছে আমরা খুবই দুর্বল তাও মেনে নিয়ে আমাদের সাংসারিক জীবনের পথ অতিবাহিত করতে হয়।এরপরও কিছু কিছু জিনিস আছে বা ঘটনা ঘটে যা কোন সময় মন থেকে একেবারে মেনে নেওয়া যায় না। এমন একটি মানুষ অকালে প্রয়াত হয়ে যায় আমাদের কাছ থেকে সকল দুঃখ, যন্ত্রণার মায়া কাটিয়ে ইহ লোক ত্যাগ করে পড়লোকে চলে যায়।আর সমাজে এমন কিছু কিছু ঘটনা ঘটে যা মন থেকে একেবারেই মেনে নেওয়া যায় না।যেমনটি ঘটেছে মঙ্গলবার রাত দশটা পাঁচ মিনিটে আগরতলা দুর্দশনের তথা খোয়াই এর সাংবাদিক মানুষ ভট্টাচার্যের সাথে।গত কিছুদিন আগে দুরদূষণের সাংবাদিক তথা খোয়াইয়ের মানষ ভট্টাচার্য পেটে ব্যথা এবং বুকের যন্ত্রণা নিয়ে খোয়াই জেলা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল।একটু সুস্থ হতেই মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ি চলে আসে নিজ ইচ্ছাতে এরপর সন্ধ্যার পর মানষের শারীরিক অবস্থা আরো বেশি খারাপ হতে থাকে দেখে তার পরিবারের লোক মঙ্গলবার রাত সাড়ে নয়টা নাগাদ মানষ ভট্টাচার্যকে খোয়াই জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মানষকে সাথে সাথে জিবি হাসপাতালে রেফার করে ইতিমধ্যে খবর পেয়ে ভ্যান গার্ডের সাংবাদিক শেখর ভট্টাচার্য হাসপাতালে পৌঁছে যায় এবং মানষকে সাংবাদিক শেখর ভট্টাচার্য চেয়ারে বসায় তখন চিকিৎসক মানুষ ভট্টাচার্যকে কোন একটা ইনজেকশন দিতে যাবে তখনই শেখর ভট্টাচার্যের কোলে মানষ ভট্টাচার্য ঢলে পড়ে অর্থাৎ তখনই মানষ মৃত্যুবরণ করে।এরপর চিকিৎসকরা প্রায় ৩০ মিনিট চেষ্টা করে মানষ ভট্টাচার্যের প্রাণ ফিরিয়ে আনার জন্য কিন্তু ততক্ষণে সবকিছুই শেষ হয়ে গেছে তখন রাত দশটা পাঁচ মিনিট প্রায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন মানষ ভট্টাচার্য।শেষে এই ঘটনা ছড়িয়ে পড়তে সমস্ত সাংবাদিকসহ মানষ ভট্টাচার্যের আত্মীয়-স্বজন খোয়াই মন্ডলের বিভিন্ন কর্মকর্তা সহ বন্ধু-বান্ধবরা খোয়াই জেলা হাসপাতালে ভিড় জমায়।অন্যদিকে পরিবারের লোকের কান্নায় খোয়াই জেলা হাসপাতাল এলাকার আকাশ বাতাস ভারী হয়ে ওঠে কেউ মেনে নিতে পারছিল না মানষ ভট্টাচার্য মারা গেছে সত্যি যা ছিল এক করুন দৃশ্য।অবশেষে মানষ ভট্টাচার্যের মৃতদেহ গনকি এলাকার নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় এরপর সেখান থেকে রাতে খোয়াই লালছরা স্থিত মহাশ্মশান ঘাটে নিয়ে যাওয়া হয় তার শেষকৃত্য সম্পন্ন করার জন্য।সেখানে আরেক করুন দৃশ্য চোখে পড়ে মানষ ভট্টাচার্যের শেষকৃত্য কাজ সম্পন্ন করল মুখাগ্নি দিয়ে তার আট বছরের ছেলে রক্তিম।মৃত্যুকালে মানষের বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর।এবং মৃত্যুকালে রেখে গেছেন বৃদ্ধ মা, স্ত্রী,আট বছরের ছেলে রক্তিম,দেড় বছরের এক মেয়েকে ।শেষে বুধবার সকালে মানষ ভট্টাচার্যের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে তার বাড়িতে উপস্থিত হয় রাজ্য বিধানসভার মুখ্য সচেতন তথা বিধায়িকা শ্রীমতি কল্যাণী রায়।এবং দুপুরে তার বাড়িতে পরিবারের সাথে দেখা করতে আসেন দূরদর্শনের আধিকারিকের একটি দল।উভয়েই প্রয়াত মানষ ভট্টাচার্যের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।কি সমবেদনা জ্ঞাপন করবেন সবাই তার বাড়িতে গিয়ে বিষন্ন হয়ে যান। কেউ কিছু বলার ভাষা খুজে পাচ্ছিল না তবুও যেটা না করলে না হয় তাই করলেন আগতরা।অন্যদিকে মানষের ছোট দেড় বছরের মেয়ে বাবা বাবা বলে বাবাকে খুঁজছিল সত্যি দৃশ্যটা ছিল খুব বেদনাদায়,অন্যদিকে তার আট বছরের ছেলে রক্তিম কিরাধারি হয়ে সাদা কাপড় পরে বসে আছে।যাই হোক অবশেষে সবাই ওদের পরিবারকে সান্তনা দিয়ে চলে আসে।এই বিষয়টাকে কেন্দ্র করে প্রত্যেকটি লোক খুবই মর্মাহত।মানষ ভট্টাচার্যের এই অকাল প্রয়াণে খোয়াই জেলা প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

thirteen − 5 =

- Advertisment -spot_img

জনপ্রিয় খবর

সাম্প্রতিক মন্তব্য