বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ২৬ শে সেপ্টেম্বর….. শনিবার দুপুরে খোয়াইতে অনুষ্ঠিত হয় ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের ২০৬ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন। এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে খোয়াই গনকি দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অপমান ও উপেক্ষাকরার অভিযোগ উঠল খোয়াই তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের বিরুদ্ধে।পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ২০৬তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে শনিবার দুপুরে খোয়াইয়ের গণকি দ্বাদশ শ্রেণি বিদ্যালয়ের অটল মনোহর স্মৃতি কমিউনিটি হলে শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। খোয়াই তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খোয়াই জিলা পরিষদের সভাধিপতি শ্রীমতি অপর্ণা সিংহ রায়, এস সি সাব-কমিটি খোয়াই জেলার চেয়ারম্যান সমীর কুমার দাস, শিক্ষক অমিত দাস, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের আধিকারিক দিলীপ দেববর্মা-সহ অন্যান্যরা।অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের ফুলের তোড়া ও উত্তরীয় দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয়। পরে প্রদীপ প্রজ্বালনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
তবে এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে গনকি দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সম্মান প্রদানের বিষয়টিকে নিয়ে। তাদের অভিযোগ, এই বিদ্যালয়ের সমস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকারা অনুষ্ঠানের সমস্ত ধরনের আয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও স্কুলের কোন শিক্ষক বা শিক্ষিকাকে মঞ্চে স্থান দেওয়া হয়নি আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে।এই বিষয়টিকে নিয়ে স্কুলের শিক্ষক শিক্ষীকারা যেমন ক্ষুব্ধ হয়েছেন তেমনি এই ঘটনাটিকে নিয় বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।এছাড়াও অনুষ্ঠানের জন্য খোয়াই তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের পক্ষ থেকে তৈরি করা আমন্ত্রণপত্রেও একাধিক ভুলে ভরা রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। কর্মরত এক যুবক শিক্ষককে আমন্ত্রণপত্রে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা যায়। এছাড়া অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন খোয়াই তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের আধিকারিক রূপক আচার্যী তিনিই অভিযোগ উঠার মূল কান্ডারী বলে জানা গেছে। আমন্ত্রণপত্রের ভুল এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের যথাযথ সম্মান না দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন উঠেছে। প্রথমত যে স্কুলে অনুষ্ঠান এবং ঐ স্কুলের শিক্ষক শিক্ষীকারা সহ ছাত্র ছাত্রীরা সহযোগিতার জন্য হাত বাড়িয়ে দেয় ।সেই জায়গায় ঐ অনুষ্ঠানে স্কুলের কোন শিক্ষক শিক্ষিকাকে অনুষ্ঠানের মঞ্চে বসিয়ে সন্মানিত করার জন্য সেই সাধারণ জ্ঞান টুকুও যে নেই তারই প্রমাণ মিলেছে । অর্থাৎ স্কুলের শিক্ষক শিক্ষীকাদের এক প্রকার অপমানিত করে ছাড়ল খোয়াই তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের আধিকারিক থেকে শুরু করে সমস্ত কর্মীরা।এই অনুষ্ঠানের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা আগামী দিন কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন সেটাই দেখার বিষয়।



