Friday, April 10, 2026
বাড়িখবররাজ্যবিশ্বব্যাংক সহায়তাপ্রাপ্ত TRESP প্রকল্পে বিভিন্ন ব্লকে শূকরছানা সংগ্রহ অভিযান—মহিলা প্রযোজক গোষ্ঠীর জীবিকায়...

বিশ্বব্যাংক সহায়তাপ্রাপ্ত TRESP প্রকল্পে বিভিন্ন ব্লকে শূকরছানা সংগ্রহ অভিযান—মহিলা প্রযোজক গোষ্ঠীর জীবিকায় নতুন দিশা

বিশ্বব্যাংক সহায়তাপ্রাপ্ত Tripura Rural Economic Growth and Service Delivery Project (TRESP) প্রকল্পের অধীনে ত্রিপুরার বিভিন্ন ব্লকে তৃণমূল স্তরে শূকরছানা সংগ্রহ ও বিতরণ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামীণ এলাকার মহিলা প্রযোজক গোষ্ঠীর (Producer Group) সদস্যদের জীবিকা উন্নয়ন এবং আয় বৃদ্ধির নতুন সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে Tribal Welfare Department, Government of Tripura।
উনকোটি জেলার Pecharthal RD Block-এ TRESP প্রকল্পের BPMU-এর অধীনে Sadak Piggery PG এবং Ujjei Jei Piggery PG-এর সদস্যরা সফলভাবে শূকরছানা সংগ্রহ ও বীমা সম্পন্ন করেছেন। পাশাপাশি শূকরছানাগুলির সঠিক পুষ্টি ও সুস্থ বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পশুখাদ্যও সংগ্রহ করা হয়েছে। পুরো কার্যক্রমটি BPMU ও DPMU দলের তত্ত্বাবধান এবং Animal Resources Development Department (ARDD)-এর প্রযুক্তিগত সহায়তায় সম্পন্ন হয়, যাতে স্বচ্ছতা, গুণগত মান এবং TRESP প্রকল্পের নির্দেশিকা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়।
অন্যদিকে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার Hezamara RD Block-এ Dumrakaridak VC-এর অধীন Hamkwrai Piggery Producer Group-এর জন্য Khumulwng-এর সরকারি খামার থেকে ১৪টি উন্নত জাতের শূকরছানা সংগ্রহ করা হয়েছে। শূকরছানাগুলি সংগ্রহের আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, যাতে ভবিষ্যতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়।
একইভাবে Ompi RD Block-এর Thumsa Piggery PG-এর সদস্যদের মধ্যেও শূকরছানা বিতরণ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই কর্মসূচিতে প্রযোজক গোষ্ঠীর সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সমন্বিত সহযোগিতা লক্ষ্য করা যায়।
এই সমস্ত কার্যক্রমে Animal Resources Development Department (ARDD) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। উন্নত জাতের সুস্থ শূকরছানা সরবরাহ, প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান এবং পশুপালন সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়ার মাধ্যমে বিভাগটি প্রকল্প বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা করছে।
TRESP প্রকল্পের অধীনে এ ধরনের উদ্যোগ গ্রামীণ মহিলাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। শূকর পালনকে একটি লাভজনক জীবিকা হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি এই উদ্যোগ গ্রামীণ পরিবারের আয় বৃদ্ধি, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং সামগ্রিকভাবে গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
ত্রিপুরার বিভিন্ন জেলায় এ ধরনের সমন্বিত উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, যা রাজ্যের জনজাতি ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর টেকসই জীবিকা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

thirteen + four =

- Advertisment -spot_img

জনপ্রিয় খবর

সাম্প্রতিক মন্তব্য