বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ২রা জুলাই…..ছেলে ও ছেলের বউয়ের হাতে গত ৭ বছড় ধরে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতিত বিধবা মা। পুলিশের দ্বারস্থ হয়েও সুবিচার পাচ্ছে না বিধবা মা। শেষে ঘটনার বিবরণ দিয়ে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতনের শিকার বিধবা ফুলমতি দেবনাথ (৬০) জানান উনাদের বাড়ি খোয়াই মহকুমা অন্তর্গত চেবরি বিনার টিলা এলাকাতে ।গত ৭ বছর হয়েছে উনার স্বামী রবীন্দ্র দেবনাথ মারা গেছেন। স্বামী মারা যাওয়ার পর ছেলেমেয়েদের নিয়ে সংসার জীবন যাপন করছিলেন এর মধ্যে উনার ছেলে নেপাল দেবনাথ স্থানীয় এলাকার সুভাষিনী দেবনাথ নামে এক বিবাহিত মহিলার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এই ঘটনাটি নিয়ে এলাকার জনগণ ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে মারধর করেন এবং পরবর্তীতে ওই বিবাহিত মহিলাকে নিয়েই থাকেন। এরমধ্যে ছেলে নেপাল দেবনাথের গর্ভধারিনী মা ফুলমতি দেবনাথ কে এবং উনার ছোট এবং বড় মেয়েকে মারধর ও করেছেন বলে অভিযোগ করেন। পাশাপাশি উনাকে শারীরিকভাবে এবং মানসিকভাবে নির্যাতন শুরু করেছেন গত সাত বছর ধরে নেপাল দেবনাথ ও তার বউ।বিধবা মহিলাকে একপ্রকার জোর করেই বাড়ি থেকে বের করে দিতে চাইছে কুলাঙ্গার ছেলে নেপাল দেবনাথ।এই ঘটনাটি কে কেন্দ্র করে এলাকায় বেশ কয়েকবার স্থানীয় পঞ্চায়েতের মাধ্যমে সালিশি সভা হয়। তাতেও কোন সূরা হয়নি ।পরবর্তীতে স্থানীয় পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে বিধবা মহিলা ফুলমতি দেবনাথ কে জানানো হয় মহিলা পুলিশের দ্বারস্থ হওয়ার জন্য। যথারীতি মহিলা থানার দ্বারস্থ হয়েছেন ফুলমতি দেবনাথ। সব থেকে দুঃখজনক বিষয় মহিলা থানাকে বারবার ফোন করলেও মহিলা থানার পুলিশ একবারে জন্য ঘটনাস্থলে যাওয়ার সময় নেই বলে জানিয়েছেন।যা হবে আদালতে হবে বলে পাশ কাটিয়ে চলে যায়। সমাজের এই অধঃপতনের নগ্ন চিত্র আবারো সংবাদ মাধ্যমের সামনে তুলে ধরলেন এক বিধবা মা। তবে এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পঞ্চায়েত এলাকার জনগণ অতিষ্ঠ। এখন দেখার বিষয় পুলিশ প্রশাসন এইরকম কুলাঙ্গার ছেলের বিরুদ্ধে কি শাস্তির ব্যবস্থা করেন। তবে এলাকা সূত্রে খবর এই নেপাল দেবনাথের বিভিন্ন নেক্কারজনক কর্মকাণ্ডের জন্য অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ও তার বিধবা মা।



