সেন্টিমেন্টের নিরিখে ভোট হয়েছে। উন্নয়নের নিরিখে হয়নি ।গণরায় মাথা পেতে নিয়ে এক প্রতিক্রিয়ায় জানালেন রাজ্য মন্ত্রীসভার সেকেন্ড ইন কমান্ড মন্ত্রী রতন লাল নাথ।
মোহনপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনের নিরিখে এডিসি ভোটে দুইটি নির্বাচনী কেন্দ্রে ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন বিজেপি প্রার্থীরা মোহনপুরের ১৩ নং সিমনা- তমাকারি এবং ১৪ নং বোধজংনগর – ওয়াক্কিনগর নির্বাচনী কেন্দ্রে ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন মাথার দুই হেভি ওয়েট প্রার্থী যথাক্রমে রবীন্দ্র দেববর্মা এবং রুনিয়েল দেববর্মা ।এই দুই নির্বাচনী কেন্দ্রের প্রচারের সর্বাধিনায়ক ছিলেন মোহনপুরের বিধায়ক তথা রাজ্যের কৃষি মন্ত্রী রতনলাল নাথ ।এদিন ভোট গণনার পর দৃশ্যতই হতাশ দেখাচ্ছিল মন্ত্রী রতন লাল নাথ কে ।কিন্তু মচকালেও ভেঙে পড়ার লোক নন তিনি ।১৯৯৩ সাল থেকে মোহনপুরে একটানা জয়ী হয়ে আসা এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের এটাই প্রধান রাজনৈতিক গুণ। আজও বিজেপির শোচনীয় পরাজয়ে অবিচল ছিলেন তিনি ।এদিন কর্মী সমর্থকদের সাথে বসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ভোটের ফলাফল নিয়ে এক প্রতিক্রিয়ায় মন্ত্রী রতনলাল নাথ জানান, গণতন্ত্রের মহোৎসব হলো ভোট ।এই মহোৎসবে জনগণের রায়কে মাথা পেতে নিতে হবে। নির্বাচনে জয়ী এবং বিজিত সকল প্রার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, পরাজয়কে স্বীকার করে নিতে হবে ।এটাই রাজনৈতিক দলগুলির দায়িত্ব এবং কর্তব্য।
রাজ্য মন্ত্রিসভার সেকেন্ড ইন কমান্ড মন্ত্রী রতনলাল নাথ আরো জানান ,উন্নয়নের নিরিখে ভোট হলে ফলাফল অন্যরকম হতো ।কারন একমাত্র বিজেপি দল ছাড়া এই রাজ্যে কেউ উন্নয়ন করেনি। কিন্তু ভোট হয়েছে সেন্টিমেন্টের নিরিখে এই ক্ষেত্রে আমার কিছু বলার নেই।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে এডিসি নির্বাচনের মোহনপুর মহকুমার অধীন ১৩ নং শিমনা -তমাকারি কেন্দ্রে তিপ্রা মথা প্রার্থী রবীন্দ্র দেববর্মা তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি প্রার্থী ইন্দ্রজিৎ দেববর্মা কে ১৫ হাজার ৩৮৪ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। অপরদিকে ১৪ নং বোধজং নগর- ওয়াক্কিনগর কেন্দ্রে মথা প্রার্থী যুব নেতা রনিয়েল দেববর্মা তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি প্রার্থী রণবীর দেববর্মা কে ১৫ হাজার ৭৮৯টি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। এই দুটি নির্বাচনী কেন্দ্রে কার্যত ভোটারদের মধ্যে কোন দাগ ফেলতে পারেনি বিজেপি দল ।ভোট শেষে ফলাফলের পরিসংখ্যান এমনটাই প্রমাণ করে।



