বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ২২শে সেপ্টেম্বর…..১০ লক্ষ টাকা না দেওয়ায় দিন দুপুরে এক ঠিকাদারকে খুনের চেষ্টার অভিযোগ, পাশাপাশি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন?১০ লক্ষ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় রামচন্দ্র ঘাট এলাকার ঠিকাদার সুভাষ ঋষিদাসকে মারধর করে খুনের চেষ্টা চালানোর অভিযোগ উঠেছে সমীর চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন একদল দুষ্কৃতকারীর বিরুদ্ধে। ঘটনার বিবরণে জানা যায় পূর্ত দপ্তরের অধীনে কল্যাণপুর থানার অন্তর্গত দ্বারিকাপুর এলাকায় বোল্ডার তৈরির কাজের বরাত পান ঠিকাদার সুভাষ ঋষিদাস। গত দেড় মাস ধরে কাজ করে যাচ্ছে।কাজ চলাকালীন তাঁর কাছে ১০ লক্ষ টাকা দেবার জন্য প্রতিনিয়ত চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল বলে জানান তিনি। শেষে গত রবিবার বিকেল ৪টা নাগাদ কাজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে দ্বারিকাপুর স্কুলের সামনে ১০ থেকে ১২ জনের একটি দুষ্কৃতিকারী দল লাঠি,রড এবং ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁর ওপর প্রাণঘাতী হামলা চালায় বলে অভিযোগ। তাতে সুভাষ ঋষি দাসের ডান হাত এবং বাঁ পা ভেঙে দেয় দুষ্কৃতিকারীরা।এই হামলা কারিদের মধ্যে চার পাঁচজন দুষ্কৃতিকারীদের চিনতে পেরেছিল তারা হল পুলকেশ ধুপি ওরফে আবু, পাপন সরকার, প্রীতম শুক্ল দাস, বিশ্বজিৎ ঘোষ, বাপি রাউত ছিলেন হামলাকারীদের মধ্যে অন্যতম ব্যাক্তি বাকিদের চিনতে পারেনি সুভাষ। সুভাষের উপর যখন দুষ্কৃতিকারীরা মারধোর করছিল তখন তার সহপাঠীরা কলনপুর থানায় খবর দিলে বেশ কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থলে পুলিশ আসার পরও পুলিশের সামনে দুষ্কৃতিকারীরা তাদের হামলা চালিয়ে যাচ্ছিল। দুষ্কৃতিকারীরা পুলিশের সামনে তাঁকে মারধর এবং ১০ লক্ষ টাকা না দিলে কাজ করতে দেওয়া হবে না এবং টাকা না দিলে মেরে ফেলা হবে বলেও হুমকি দিতে থাকে আর এই দৃশ্য গুলি পুলিশ কলা গাছের মতন দাঁড়িয়ে সমস্ত দৃশ্যগুলি দেখছিলেন বলে বলে সুভাষ ঋষিদাস অভিযোগ মুলে জানান । তখন সেই ঘটনার ভিডিও করছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা।তা দেখতে পেয়ে দুষ্কৃতিকারীরা তাদের কাছথেকে প্রায় আটটি মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে ভাঙ চুর করে বলেও অভিযোগও উঠেছে। অন্যদিকে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে গুরুতর আহত ঠিকাদার সুভাষ ঋষিদাস।তি এও জানান তাকে যখন দুষ্কৃতিকারীরা মারছিলেন তখন ঘটনা স্থলে পুলিশ থাকা সত্ত্বেও এগিয়ে আসেনি। তাই পুলিশের উপর আস্থা হারিয়ে মঙ্গলবার বিকেলে খোয়াই এর আদালতের দ্বারস্থ হয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন বলে জানান সুভাষ। অন্যদিকে সুভাষ ঋষি দাস অভিযোগ মূলে সংবাদমাধ্যমের কাছে এও বলেন ঘটনার পর যখন উনাকে জিবি হাসপাতালে রেফার করা হয় হাত-পা ভাঙ্গা অবস্থায় সেই জায়গায় জিবি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর উনার ভাঙ্গা হাত এবং পায়ে প্লাস্টার করে জি বি হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে ছুটি দিয়ে দেন বলে অভিযোগ করেন। অথচ যে জায়গায় একটা লোকের একটি হাত একটি পা ভাঙ্গা সেই জায়গায় জিবি হাসপাতালের চিকিৎসকরা ভর্তি করে চিকিৎসা না করে কিভাবে থাকে একদিনের মাথায় ছুটি দিয়ে দেন তা নিয়েও জিবি হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবার উপর তিনি প্রশ্ন তুললেন। এখন দেখার বিষয় এই ঘটনার পর পুলিশ প্রশাসনের পরবর্তী ভূমিকা কি? সেই দিকে তাকিয়ে রয়েছেন খোয়াইয়ের সমস্ত জনগণ।



