বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ৬ই আগষ্ট….. বর্তমান ডাবল ইঞ্জিন সরকারের আমলে ২০৮ নং জাতীয় সড়ক এখন মরণফাঁদে পরিনত এত উদাসীন কেন ডাবল ইঞ্জিনের এই সরকার?বন্ধ করো কমিশন বাণিজ্য: খোয়াইয়ে গণ অবস্থানে সোচ্চার ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।
২০৮ নং জাতীয় সড়কের বেহাল দশা অবিলম্বে দূরীকরণ করে যান চলাচলের উপযোগী করে তোলার দাবীতে বৃহস্পতিবার রাজ্যব্যাপী আন্দোলন কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে খোয়াইতেও সি পি আই এম এর ডাকে হয়ে গেলো দুই ঘন্টার গণ অবস্থান।এই দিন জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্র সুভাষপার্কের জননেতা নৃপেন চক্রবর্তী অ্যাভেনিউ সংলগ্ন সকাল সাড়ে এগারোটা থেকে বেলা দেড়টা পর্য্যন্ত চলে গণ অবস্থান।বৃষ্টির মধ্যেই শুরু হয় গণ অবস্থানের কর্মসূচি। গণ অবস্থানের কর্মসূচিতে সামিল হওয়া মানুষজনের হাতে হাতে ধরা ছিল বিভিন্ন শ্লোগান সম্বলিত প্লেকার্ড। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের চরম উদাসীনতায় জাতীয় সড়ক কেন আজ মরণফাঁদ? জবাব চাই , জাতীয় সড়কের বেহাল দশায় আর কতদিন ভুগতে হবে সাধারণ মানুষকে? জবাব চাই, নির্মাণকাজে কেন কমিশন বাণিজ্যের এত রমরমা ? জবাব চাই, জবাব দাও” ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের শ্লোগান লেখা ছিল প্লেকার্ডে।শ্লোগানের মাধ্যমে পুরো দুই ঘন্টা মুখরিত ছিল তাদের এই গণ অবস্থান স্থলটি। সি পি আই এম এর খোয়াই মহকুমা কমিটির ডাকে অনুষ্ঠিত গণ অবস্থান কর্মসূচিটি পরিচালনা করেন পার্টিনেতা সুবোধ দেববর্মা ও কানন দত্তকে নিয়ে গঠিত এক সভাপতিমণ্ডলী ।গণ অবস্থানে বক্তব্য রাখেন পার্টির জেলা সম্পাদক পদ্ম কুমার দেববর্মা, মহকুমা সম্পাদক তথা বিধায়ক নির্মল বিশ্বাস, রাজ্য কমিটির সদস্য পলাশ ভৌমিক, মহকুমা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য মনোজ দাস ও মহকুমা কমিটির সদস্য গৌতম পাল। বক্তব্য রাখতে গিয়ে নেতৃবৃন্দরা বলেন, জাতীয় সড়কের বেহাল দশা দূর করা তো দূরের কথা।বরং খোয়াই এর এক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন কালে মূখ্যমন্ত্রী এই বলে দায়িত্ব এড়াচ্ছেন যে, রাজ্যের মাটি নাকি নরম আর রাজ্যে নাকি বছরে আট মাস বৃষ্টি হয়।এরজন্যই নাকি জাতীয় সড়কের কাজ করা যায় না।এটা কি দায়িত্ব বান একজন মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য হতে পারে! রাজ্যে কি এর আগে কখনো কোন সড়কের নির্মাণকাজ হয়নি!মুখ্যমন্ত্রী দায় দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য রাখছেন এই ভাবে।যে কোন নির্মাণকাজে আপাদমস্তক চলছে রমরমা কমিশনের বাণিজ্য।ঠিকেদার এজেন্সিগুলো শাসকদলীয় নেতাদের কমিশনের খাই মেটাতে গিয়ে জাতীয় সড়কের নিম্নমানের নির্মাণকাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন। তাতে গত পাঁচ বছর ধরে চলছে নির্মাণকাজ।এর পরেও শেষ হয়না জাতীয় সড়কের কাজ।অথচ মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় বলেছিলেন যে, গত বছরের জুলাই মাসে শেষ হবে জাতীয় সড়কের নির্মাণকাজ।কিন্তু আজো শেষ হয়না নির্মাণকাজ। এই সমস্ত বিষয় নিয়ে ছিল তাদের এই গন অবস্থান।



