বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ২৮শে সেপ্টেম্বর…….দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর প্রতীক্ষার পর অবশেষে ভিলেজে কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন হল সোমবার।সোমবার সকাল সাতটা থেকে শুরু হয়েছে এ ডি সির ভিলেজ কমিটির নির্বাচন।এই নির্বাচনকে সামনে রেখে সোমবার সকাল থেকেই ভোটাররা তাদের ভোটদান সম্পন্ন করতে সকাল সকাল বাড়ি থেকে বেরিয়ে ভোটকেন্দ্রে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে গেছে। তাছাড়াও দেখা গেছে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে জন জোয়ার উপচে পড়ছে। বিশেষ করে রামচন্দ্র ঘাট বিধান সেবাকেন্দ্রর পদ্মবিল আর ডি ব্লকের অন্তর্গত লংকাপুড়া এস বি স্কুল, আঠারবাড়ী হাই স্কুল,শেউরা তলি জে বি স্কুল এবং মাইচাঙ্গ বাড়ি জে বি স্কুল গুলোতে গন দেবতারা তাদের পবিত্র ভোট দিতে ব্যাপক হারে উপস্থিত ছিলেন।গত ১০ পর এই ভোট হবার কারণে সমস্ত গনদেবতারা উৎসবের আমেজে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়েছেন ভোট দিতে। এবং সবাই সুশ্রীন্খল ভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে তাদের গনতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করছে।গত ১০ বছর পর ভোট হচ্ছে তা কেমন লাগছে জানতে চাইলে সিংহ ভাগ ভোটাররাই একটু আক্ষেপ করলেও এখন তারা খুব খুশি।এর জন্য তারা উৎসবের আমেজে ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে এসেছেন। তাছাড়া বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে বয়স্ক বৃদ্ধ বনিতারাও ভোট হবার খুসিতে লাইনে দাঁড়িয়েই ভোট দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। যদিও তাদের জন্য বিশেষ ভাবে ভোটদানের লাইন তৈরি করা ছিল।ভোট দাতা এবং বিভিন্ন প্রার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায় আগামী দিন তারা জয়যুক্ত হয়ে নিজনিজ এলাকার জনগনের স্বার্থে উন্নয়ন মূলক কাজকর্ম করার আশ্বাস দেন। কারন গত ১০ বছর ধরে নির্বাচন না হবার কারণে এলাকার উন্নয়ন অনেক পিছিয়ে গেছে।এখন যখন সুযোগ এসেছে এবার এলাকার জন স্বার্থে কাজ করবে বলে জানান প্রার্থীরা। অন্যদিকে দেখা গেছে খোয়াই তুলাশিখর এলাকায় ৫৯ আসলে ১৩০ প্রার্থী রয়েছেন এবং ভোট কেন্দ্র রয়েছে ২৮ টি। এই নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় লড়াই করছেন তিপরা মথা দলের পক্ষ থেকে ৫০ জন প্রার্থী, বিজেপি দলের ১৫ জন,আই পি এফ টি দলের ২৩ জন এবং সি পি আই এম দলের ৯ জন প্রার্থী অন্যদিকে নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়াই করছেন ৩৩ জন প্রার্থী এই নির্বাচনে। এছাড়াও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১২২জন প্রার্থী আগেই জয়ী হয়েছেন।তবে রাত আটটা পর্যন্ত খবর লেখা অব্দি জানা যায় তখনও খোয়াই তুলাশিখর ব্লক এলাকার বেশ কয়েকটি স্থানে তখনও ভোটদান চলছে বলে খবর পাওয়া যায়।তবে কত শতাংশ ভোট পড়েছে তার রাত আটটা পর্যন্ত জানা যায়নি। তবে বিভিন্ন সুত্র ভোটদানের প্রক্রিয়ার উপর নির্ভর করে অনুমান করা হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে।এবং সমস্ত ভোট বাস্ক গুলি জমা হলেই তার সঠিক শতকরা হিসেবটা পরিস্কার হবে। এই ভোটকে কেন্দ্র করে যাতে কোন ধরনের অপ্রিতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য প্রত্যেকটি ভোটকেন্দ্রে পর্যাপ্ত পরিমাণে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।তবে শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হয়েছে যদিও কোনো ধরনের অপ্রিতিকর ঘটনার কোন খবর নেই খোয়াই মহকুমা এলাকায়।



