বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ৫ই সেপ্টেম্বর….শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে রাজ্যের মধ্যে সব থেকে বড় মিলন মেলার আয়োজন হতে চলেছে।একে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টায় খোয়াই সুভাষ পার্ক স্থিত শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণ মন্দির প্রাঙ্গণে উৎভোধন হল সাতদিন ব্যাপি শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ৫৮ তম জন্মাষ্টমী মহা উৎসব এবং মিলন মেলার।এই মেলার উদ্বোধন করেন খোয়াই জিলা পরিষদের সভাধিপতি শ্রীমতি অপর্না সিংহ রায়। এছাড়াও অন্যান্য দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খোয়াই জেলা শাসক রজত পন্থ, সমাজ সেবি সমির কুমার দাস , অনুকুল দাস, খোয়াই পুর পরিষদের চেয়ারম্যান দেবাশীষ নাথ শর্মা এই মেলা কমিটির সম্পাদক রনজিৎ ঘোষ ও সভাপতি সমীরন গোপ।এই মেলাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের বিভিন্ন স্থান থেকে দুই শতাধিকের ও বেশি ব্যাবসায়ীরা এসে তাদের বিভিন্ন ধরনের পসারি সাজিয়ে বসে। সাতদিন ব্যাপি এই মিলন মেলাতে প্রচুর পরিমাণে লোকসমাগম হয়।জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সকলে এই মেলা উপভোগ করার জন্য ভীড় জমায় মেলা প্রাঙ্গনে । তাছাড়া এই মেলাকে কেন্দ্র করে এবার খোয়াই বিমান বন্দর মাঠে চলছে আনন্দ মেলার আয়োজন এবং শনিবার থেকে খোয়াই সরকারি দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের মাঠে উৎভোধন হতে চলেছে সার্কাসের।এতে করে খোয়াই মহকুমার জনগন আগামী সাতদিন আনন্দে মুখরিত হয়ে থাকবে।তাইতো এই মেলাকে সর্ব ধর্মের মেলা বলে আখ্যায়িত করেন এই মেলার উৎভোধক শ্রীমতি অপর্না সিংহ রায়। তিনি শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে গত ৫৮ বছর ধরে এই মিলন মেলার আয়োজন করে আসছেন শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণ মন্দির কমিটির সদস্যরা।তাদের কারনে খোয়াইতে এত বড় মিলন মেলার আয়োজন করা হয়। অন্যদিকে শ্রীকৃষ্ণ সমস্ত জগৎকে উনার গীতার মাধ্যমে জগতে মানব সেবাকে শ্রেষ্ঠ সেবা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। পাশাপাশি কীভাবে ধর্ম রক্ষা করতে হয় এবং এর প্রচার করতে হয় তাও শিখিয়ে গেছেন। উনার মতে কর্মই জীবন ।কর্মের মাধ্যমে এবং কৃষ্ণ নামেই এই জগত করা পাপ থেকে উদ্ধারের একমাত্র উপায় কৃষ্ণ নাম।তাই কৃষ্ণ নামে মাতোয়ারা হয়ে সবাই শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন করা হচ্ছে ধুমধাম করে।আর তিনিই আমাদের পথ দেখাবেন বিপদ থেকে উদ্ধারের জন্য।তাই আমরা সবাই উনার স্বরনাগ হই, তিনিই আমাদের রক্ষা কর্তা এবং এই জগতের পালন হার।



