বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ৭ই জুলাই….খোয়াই বন দপ্তরের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেলে আপুরা স্থিত ইকো পার্কে অনুষ্ঠিত হল খোয়াই মহকুমা ভিত্তিক বন উৎসব এবং ইকো পার্কের উৎভোধন।এই অনুষ্ঠানের উৎভোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এলাকার বিধায়ক রনজিত দেববর্মা,এম ডি সি জেম্স দেববর্মা, খোয়াই জিলা পরিষদের সভাধিপতি শ্রীমতী অপর্না সিংহ রায়, খোয়াই বন দফতরের আধিকারিক সুস্মিতা দাস,এই দফতরের জেলার আই এফ এস অশোক কুমার,পদ্মবিল ব্লকের চেয়ারম্যান প্রশান্ত দেববর্মা,সমাজ সেবি সুখেন দেববর্মা ও শ্যামল দেববর্মা সহ অন্যান্যররা।এছারাও উপস্থিত ছিলেন এলাকার বাসি সহ স্কুলের ছাত্র ছাত্রীরা সহ বন বিভাগের বিভিন্ন অফিসাররা।এই অনুষ্ঠানের প্রথমে ঐ এলাকার জনগণের স্বার্থে একটি ইকো পার্কের উৎভোধন করা হয়। এবং এই ইকো পার্কে অনুষ্ঠানের অতিথীরা বৃক্ষ রোপন করেন, এবং এলাকাবাসীর হাত বৃক্ষের চারা তুলে দেন।এই অনুষ্ঠানের উৎভোধক তথা বিধায়ক রনজিত দেববর্মা বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষার জন্য আমাদের প্রতিনিয়ত বৃক্ষ রোপন করা জরুরী। পাশাপাশি সেই বৃক্ষ গুলিকে রক্ষনাবেক্ষণ করাও জরুরি। বর্তমান সময়ে দেখা যাচ্ছে যে রাজ্যের বিভিন্ন পাহাড়ী অঞ্চল যেমন বড় মুড়া, লংতরাই, আঠার মুড়া ইত্যাদি পাহাড়ের গাছ গাছড়া আজ বিলুপ্তির পথে।তাতে করে প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট হয়ে গেছে।অথচ পাশের রাজ্য মিজোরামের বনাঞ্চল খুবই মনোরম। সেখানে বিভিন্ন ধরনের পশু, পাখিদের সমাগম তিনি দেখেছেন। এখান কার বিশেষ করে পাখিরা তাদের নিরাপদ আশ্রয়ে জন্য সেই রাজ্যে পারি দিয়েছে। অন্যদিকে ত্রিপুরার রাজ্যের পাহাড়ী বনাঞ্চল আজ ফাকা হয়েগেছে।তাই রোধ করতে বন দফতরের আধিকারিকদের এগিয়ে এসে কঠোর হতে বন ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে আইনের মাধ্যমে। এছাড়া এই এলাকায় এলাকাবাসীর জন্য যে ইকো পার্কের উদ্বোধন করেন এবং তা রক্ষার দায়িত্ব এলাকাবাসীদের নিতে হবে।কারন এই সুন্দর জায়গাটায় অনেক নেশাখোরদের আড্ডা খানা তৈরি হতে পারে ।যা এই ইকো পার্কের পরিবেশকে নষ্ট করে দিতে পারে। এরজন্য সবাইকে নজর দারি করতে হবে এই ইকো পার্কের রক্ষনাবেক্ষণ এর জন্য।



