বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ২১শে এপ্রিল.….নির্বিচনোত্তর সন্ত্রাসের দৃশ্য স্বচক্ষে দেখতে ও দলিয় কর্মীদের সাথে কথা বলে তাদের মনোবল বৃদ্ধি করতে খোয়াই মহকুমার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক শাহা।এ ডি সির নির্বাচনের পর রাজ্যজুড়ে এক অস্থির পরিস্থিতি তৈরি করেছে তিপরা মথা দলের কর্মীরা।তাতে করে বিভিন্ন জায়গার বিজেপি দলের কর্মীদের বাড়ি ঘড়ে হামলা অগ্নি সংযোগ ইত্যাদি ঘটনা ঘটিয়েছে। তাতে করে খোয়াই মহকুমার বিভিন্ন জায়গায় বিজেপি দলের কর্মীদের বাড়ি ঘড় ভাঙচুর ও অগ্নি সংযোগের কারনে শত শত বিজেপি দলের কর্মীরা আজ বাড়ি ছেড়ে খোয়াই সহড়ের বিভিন্ন জায়গায় আশ্রয় নিয়েছে। নিজের দলের কর্মীদের খোজ নিতে শেষে মঙ্গলবার দুপুরে খোয়াই সফরে আসেন মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক শাহা। তিনি প্রথমেই খোয়াই জেলা কার্যালয়ে গিয়ে সেখানে আশ্রিত শতাধিক বিজেপি দলের কর্মীদের সাথে কথা বলেন। এবং তাদের মনোবল বৃদ্ধি করতে তাদের সাথে বৈঠক করেন এবং তাদেরকে আস্বস্ত করেন যারা এই ঘটনার সাথে জড়িত তাদের কাউকে রেহাই দেওয়া হবেনা।এদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে এবং কঠিন হাজা দেওয়া হবে। রাজ্যে এখনো আইনের শাসন আছে।এর পর যাদের বাড়ি ঘড়ে হামলা হজ্জুতি করেছিল তিপরা মথা দলের কর্মীরা সেই বাড়ি গুলিতে যান।এই দিন প্রথমেই যান কচু বাড়ি এলাকার বিজেপি দলের কর্মী রাজকুমার দেববর্মার বাড়িতে। সেখানে গিয়ে পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়া সেই বাড়ির দৃশ্য স্বচক্ষে দেখতে গেলে ঐ বাড়ির মহিলারা কান্নায় ভেংগে পড়েন এবং আর্তনাদ করতে থাকেন।এর পর সেই পরিবারটিকে সান্ত্বনা দেন এবং কিছু আর্থিক সহায়তা করেন এবং বলেন সরকারের পক্ষ থেকে তাদের নতুন ঘড় তৈরি করে দেওয়া হবে।এরপর চলে যান বিদ্যাবিল রামগোপাল বাড়ি এলাকার বাসিন্দা ভিক্টর দেববর্মার বাড়িতে। সেখানে গিয়ে ভিক্টর দেববর্মার স্ত্রীর সাথে কথা বলেন । ঐ দিন রাতে তাদের বাড়িতে এবং ভিক্টরের স্ত্রীকে ধর্ষণ করার চেষ্টা চালায় এবং কি ধরনের বাজে মন্তব্য করেন মহিলার বিরুদ্ধে তিপরা মথা দেলের সমর্থকরা তা সব খুলে বলেন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে।।এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন ৭০ দশক থেকে এই ধরনের সন্ত্রাস তৈরি হয়েছে যা আজও চলছে তার উদাহরণ হল এই ঘটনাগুলো। সেই ৭০ দশকে কংগ্রেস এর পর সি পি আই এম দলের থেকেই এই প্রথা চলে আসছে।এখন দল পরিবর্তন হয়ে সেই কালচার তিপরা মথা দলের কর্মীদের মধ্যে চলে আসে।তাইত ঘটে যাওয়া ঘটনাকে কেন্সার রোগের সাথে তুলনা করেন।এই রোগ তাদের রক্তে মিশে গেছে। একদিন তাদের কেই শেষ করে দিবে যারা এই কাজ গুলো করেছ।তার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে কঠিন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে তাদের বিরুদ্ধে।একজন দোশিকেও ছাড়া হবেনা। ইতিমধ্যে বেশ কয়েক জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের জন্য চিন্তা ভাবনা করছেন। এবং এই সফর শেষ করে বিকেলে আগরতলায় একটি মিটিং করা হবে সমস্ত মন্ত্রী পুলিশ এর উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের নিয়ে এর পর তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।এর জন্য উনার সাথে ডি জি জেলা শাসক থেকে শুরু করে বিভিন্ন আধিকারিকদের নিয়ে আসা হয় কারণ উনারাও দেখে যাক সমস্ত পরিস্থিতি। ঘড়ে বসে যা সোনা যায় তারথেকে বেশি ভয়ানক দৃশ্য দেখতে পান এখানে এসে।তবে কাউকে রেহাই দেওয়া হবেনা বলে জানিয়ে জান মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক শাহা খোয়াই সফরে এসে। এছাড়া তিনি এও বলেন যে তিপরা মথা দলের কর্মীরা কিভাবে ভিক্টর দেববর্মার স্ত্রীর সাথে শ্লীলতাহানি ও চেষ্টা করে, তাতে ঐ মহিলা এখনো ট্রমার মধ্যে রয়েছন। সেই ঘটনার ভয়াবহতা থেকে এখনো বের হতে পারেননি। তবে এই সব ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে খুবই দ্রুত বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক শাহা।



