আত্মসমর্পণকারী জঙ্গি সংগঠন এনএলএফটি (NLFT) ও এটিটিএফ (ATTF)-এর ডাকা ৭২ ঘণ্টার ধর্মঘটকে কেন্দ্র করে ত্রিপুরাজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ধর্মঘটের প্রভাব পড়তে পারে এমন গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
আত্মসমর্পণকারী দুই জঙ্গি সংগঠন এনএলএফটি এবং এটিটিএফ-এর ডাকা ৭২ ঘণ্টার ধর্মঘটকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। বিভিন্ন দাবিদাওয়া পূরণের লক্ষ্যে সংগঠন দুটির নেতৃত্বে থাকা সুবাল সিং ওরফে ‘দ্য রক’-এর নেতৃত্বে এই কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ধর্মঘটকে ঘিরে আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়কের বড়মুড়া, হাতাইকতর, সিমনা-আমচাই এলাকার সুবাল সিং অঞ্চল এবং মান্দাইয়ের ভৃগুদাস এলাকাসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি রেলপথেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন এলাকায় ধর্মঘটের সমর্থনে প্রচার চালানো হলেও জরুরি পরিষেবাকে ধর্মঘটের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। অ্যাম্বুলেন্স, দমকল বাহিনী এবং পুলিশের যানবাহন চলাচলে কোনো বাধা না দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
তবে ধর্মঘট চলাকালীন কিছু এলাকায় উত্তেজনার খবর পাওয়া গেছে। ভৃগুদাস পাড়ায় রেল চলাচল ব্যাহত হয়েছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি বড়মুড়া এলাকার কয়েকটি স্থানে অগ্নিসংযোগ করে বিক্ষোভ প্রদর্শনের ঘটনাও সামনে এসেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে অতিরিক্ত পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
আত্মসমর্পণকারী জঙ্গি সংগঠনগুলির ডাকা ধর্মঘটকে কেন্দ্র করে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে প্রশাসন। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।



