সাধারণ মানুষের কাছে ন্যায্য মূল্যের দোকানের মাধ্যমে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন খাদ্য গুদামের কর্মীরা। তাঁদের নিরলস পরিশ্রম ও অবদানের স্বীকৃতি জানাতে বিশেষ উদ্যোগ নিল ত্রিপুরা সরকার। বুধবার আগরতলার এডি নগরের সেন্ট্রাল স্টোরে আয়োজিত ‘বিজয়া সম্মিলনী’ অনুষ্ঠানে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ৬৫৯ জন খাদ্য গুদাম কর্মীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন রাজ্যের পরিবহণ, পর্যটন এবং খাদ্য, জনসংভরণ ও ক্রেতাস্বার্থ বিষয়ক দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অধিকর্তা সুমিত লোধ-সহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। এদিন মন্ত্রী ও অন্যান্য অতিথিরা খাদ্য গুদাম কর্মীদের হাতে উপহার ও নতুন বস্ত্র তুলে দিয়ে তাঁদের উৎসবের শুভেচ্ছা জানান। অনুষ্ঠান শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন, রাজ্যের সাধারণ মানুষের কাছে ন্যায্য মূল্যের দোকানের মাধ্যমে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে গুদাম কর্মীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুজোর সময়ও পরিষেবা যাতে ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করতে তাঁরা নিরলসভাবে কাজ করেছেন। মন্ত্রী জানান, প্রতি বছরই পুজো উপলক্ষে সরকারি তরফে খাদ্য গুদাম কর্মীদের বোনাস দেওয়া হয়। তবে এবছর কর্মীদের উৎসাহিত করতে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে তাঁদের হাতে নতুন বস্ত্র তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পুজোর সময় কর্মব্যস্ততার কারণে সেই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। তাই উৎসব শেষ হওয়ার পর বিজয়া সম্মিলনীর মাধ্যমে কর্মীদের হাতে নতুন বস্ত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। কর্মীদের পরিশ্রমের স্বীকৃতি দেওয়া এবং তাঁদের আরও উৎসাহিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য বলে জানান মন্ত্রী।



