এনএইচএম-এর অধীনে কমিউনিটি হেলথ অফিসার (সিএইচও) নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্যে। অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি এবং প্রয়োজনে পুনঃপরীক্ষার দাবিতে সোমবার ফের সফেড (SAFED)-এর আধিকারিকদের দ্বারস্থ হলেন পরীক্ষার্থীদের একাংশ। পরীক্ষার্থীদের দাবি, সর্বভারতীয় স্তরে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় দেশজুড়ে যে বিতর্ক ও আন্দোলনের সৃষ্টি হয়েছিল, তার রেশ এখনও কাটেনি। এরই মধ্যে রাজ্যে সিএইচও নিয়োগ পরীক্ষা ঘিরে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ সামনে আসায় চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
জানা গেছে, এনএইচএম-এর অধীনে একাধিক সিএইচও পদে নিয়োগের জন্য ২০২৫ সালের ১৭ মে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হয় ২০২৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি এবং গত ১৫ জুলাই ফলাফল প্রকাশ করা হয়। অভিযোগ, ফল প্রকাশের মাত্র দু’দিনের মধ্যেই তথ্য-প্রমাণসহ প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি সামনে আসে। পরীক্ষার্থীদের দাবি, এই নিয়োগ পরীক্ষায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ২,৬৪০ জন চাকরিপ্রার্থী অংশগ্রহণ করেছিলেন। তাই যদি প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়, তবে তা হাজার হাজার পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যতের সঙ্গে প্রতারণার সামিল।
সোমবার সফেডের আধিকারিকদের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে পরীক্ষার্থীরা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করা, তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রয়োজনে পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে যেমন ক্ষোভ বাড়ছে, তেমনি নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েও বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।



