বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ১৪ ই আগস্ট…….শুক্রবার বিকেলে খোয়াই পুরাতন টাউন হলে শিশুদের দ্বাড়া কেনভাসের মাধ্যমে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার মধ্যে দিয়ে সমাপ্ত হল দীর্ঘ আট মাস ব্যাপী চলে আসা কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের শত তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত উৎযাপন কমিটির উদ্যোগে হাতে নেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচি ও অনুষ্ঠান। এই সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম শতবার্ষিকী উৎযাপন কমিটির সভাপতি সুখেন্দু বিকাশ দে, বাচক শিল্পী তথা বড়িষ্ঠ নাট্য শিল্পী অভীক প্রাসাদ চক্রবর্তী,অবসর প্রাপ্ত বিশিষ্ট শিক্ষক তথা নাট্য নির্দেশক, নাট্য শিল্পী নীরেন ঘোষ,। তাদেরকে কমিটির পক্ষ থেকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়।এর পর বড় একটি কেনভাসে তাদের তুলির টানের মাধ্যমে এই প্রতিযোগিতা শুরু করেন আগত অতিথিরা। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে উৎপাদন কমিটির সভাপতি সুখেন্দু বিকাশ দে বলেন দীর্ঘ আট মাস ধরে তারা বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান করে আসছেন। প্রথমেই তার কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও প্রভাত ফেরীর মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানে শুভারম্ভ করেন।এর পর একে একে কবিতা, আবৃত্তি, চিঠি লেখা প্রতিযোগিতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান করে আসছেন বিগত কয়েক মাস ধরে। এরমধ্যে স্বপ্নপুরী গেষ্ট হাউজে এক কবি সন্মেলন ও করা হয়। সেখানে রাজ্যের বিভিন্ন যায়গা থেকে কবি সাহিত্যিকরা উপস্থিত ছিলেন পাশাপাশি বহিরাজ্য থেকেও কবিরা এসেছেন যারা কবিকে নিয়ে উনার জীবনের লড়াই সংগ্রামের ইতিহাস ও তথ্য তুলে ধরেন আসাম ও কোলকাতা থেকে আগত কবি সাহিত্যিকরা। সেই কবি সন্মেলনে উড়িষ্যা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি শুভাশীষ তলাপাত্রের উপস্থিত এবং উনার বক্তব্য ফুটে উঠে কি ভাবে কবি সুকান্তকে আরো চির স্মরণীয় করে রাখতে গিয়ে কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি এবং কিভাবে তার কবিতার মূল চিন্তা ভাবনা সমাজের প্রত্যেকটি মানুষের কাজ লাগে সেই দিকে লক্ষ রেখে কাজ করে যাওয়া এই কমিটির লক্ষ্য। অনুষ্ঠানের সমাপনীতে খোয়াই পুরাতন টাউন হলে শুক্রবার বিকেলে শুরু হয় কেনভাস প্রতিযোগিতা ও মুখোশ তৈরির প্রতিযোগিতা।এই দিন সন্ধ্যায় এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ কারিদের পুরস্কৃত করা হবে বলে জানান উৎযাপন কমিটির সভাপতি সুখেন্দু বিকাশ দে।



