স্বামী ও ১০ বছরের কন্যা সন্তানকে রেখে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ এক গৃহবধূ। আগরতলার আইজিএম হাসপাতালে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই আর কোনও খোঁজ মিলছে না। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আমতলী থানার মধুবন এলাকায়।
Vo
জানা গেছে, ২০১৪ সালে পশ্চিম আনন্দনগর এলাকার জগদীশ কর্মকারের মেয়ে মল্লিকা কর্মকার রায়ের সঙ্গে আমতলী থানার অন্তর্গত মধুবন এলাকার বাসিন্দা সফু রঞ্জন রায়ের বিবাহ হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের এক কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। বর্তমানে ওই শিশুর বয়স ১০ বছর।
পরিবারের দাবি, বিয়ের পর থেকে তাদের সংসার স্বাভাবিকভাবেই চলছিল। তবে গত মঙ্গলবার দুপুরে মল্লিকা কর্মকার রায় আগরতলার আইজিএম হাসপাতালে ডাক্তার দেখানোর কথা বলে স্বামীর বাড়ি থেকে বের হন। কিন্তু সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত হলেও তিনি আর বাড়ি ফেরেননি।
স্ত্রীকে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর উদ্বিগ্ন হয়ে সফু রঞ্জন রায় বিষয়টি শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের জানান। মঙ্গলবার রাত থেকেই দুই পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
বুধবার সকাল পর্যন্ত কোনও সন্ধান না মেলায় আমতলী থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি দায়ের করা হয়।
এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে নিখোঁজ গৃহবধূর বাবা জগদীশ কর্মকার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি প্রশাসনের কাছে দ্রুত তার মেয়েকে খুঁজে বের করার আবেদন জানিয়েছেন।
পুলিশ নিখোঁজ ডায়েরির ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তবে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মল্লিকা কর্মকার রায়ের কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি।
ঘটনার তদন্তে নেমেছে আমতলী থানার পুলিশ। নিখোঁজ গৃহবধূর সন্ধানে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এখন দেখার, তদন্তে নতুন কোনও তথ্য সামনে আসে কি না।



