আবারও বাড়ল পেট্রোল ও ডিজেলের দাম। এক ধাক্কায় পেট্রোলে ২ টাকা ৬৪ পয়সা এবং ডিজেলে ২ টাকা ৬৩ পয়সা বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন দরে পেট্রোলের মূল্য দাঁড়িয়েছে ১০৪ টাকা ৯৩ পয়সা এবং ডিজেলের দাম ৯৩ টাকা ৮৩ পয়সা। জ্বালানির এই লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধিতে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
দেশজুড়ে ফের জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা। আবারও এক ধাক্কায় পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের উপর বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি করল কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, পেট্রোলের দাম বেড়েছে ২ টাকা ৬৪ পয়সা, ফলে প্রতি লিটার পেট্রোলের বর্তমান মূল্য দাঁড়িয়েছে ১০৪ টাকা ৯৩ পয়সা। অন্যদিকে ডিজেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে ২ টাকা ৬৩ পয়সা, যার ফলে প্রতি লিটার ডিজেলের নতুন দাম হয়েছে ৯৩ টাকা ৮৩ পয়সা। ক্রমাগত জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে চরম বিপাকে পড়েছেন নিত্যযাত্রী থেকে শুরু করে পরিবহণ ব্যবসায়ী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং মধ্যবিত্ত পরিবারগুলি। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকার মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। একদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে, অন্যদিকে জ্বালানির এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি বাজার ব্যবস্থাকে আরও অস্থির করে তুলছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়লে পরিবহণ খরচ বাড়ে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে খাদ্যদ্রব্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর দামের উপর। ফলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা আরও কঠিন হয়ে উঠছে।
রাজনৈতিক মহলেও এই মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা। বিরোধীদের অভিযোগ, জনস্বার্থের কথা না ভেবে কেন্দ্র শুধুমাত্র রাজস্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যেই বারবার জ্বালানির দাম বাড়িয়ে চলেছে। এদিকে সাধারণ মানুষ অবিলম্বে জ্বালানির মূল্য হ্রাসে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। এখন দেখার বিষয়, জনরোষের মুখে সরকার কোনো স্বস্তির বার্তা দেয় কিনা।



