রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য সুখবর। সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে গণপূর্ত, তথ্য ও সংস্কৃতি এবং ক্ষুদ্র সঞ্চয় দপ্তরে মোট ৮১টি নতুন পদ সৃষ্টি ও সেই পদ পূরণের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। সাংবাদিক সম্মেলনে এই ঘোষণা করেন পরিবহণ মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী।
রাজ্যের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য মন্ত্রিসভা। সোমবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে মোট ৮১টি নতুন পদ সৃষ্টি ও নিয়োগের প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।এর মধ্যে গণপূর্ত দপ্তরে ২৬টি নতুন পদ, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরে ৫০টি শূন্যপদ এবং ক্ষুদ্র সঞ্চয় ও প্রাতিষ্ঠানিক অর্থায়ন দপ্তরে ৫ জন ক্ষুদ্র সঞ্চয় পরিদর্শক নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে পরিবহণ মন্ত্রী Sushanta Chowdhury জানান, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরে পূরণ হতে চলা ৫০টি পদের মধ্যে ২৪টি নিম্নবর্গীয় করণিক বা এলডিসি পদ রয়েছে। এছাড়াও রিপোর্টার, স্ক্রিপ্ট রাইটার, সাংস্কৃতিক সহকারী এবং সহকারী আলোকচিত্রী পদেও নিয়োগ করা হবে। দীর্ঘদিন ধরে অবসরজনিত কারণে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরে তীব্র জনবল সংকট তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে সংবাদ বিভাগটি মূলত চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের উপর নির্ভর করেই চলছিল, যার ফলে স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছিল। নতুন নিয়োগের ফলে দপ্তরের কার্যক্ষমতা বাড়বে এবং প্রশাসনিক কাজে গতি আসবে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
অন্যদিকে খাদ্য ও জ্বালানি মজুদ প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, রাজ্যে বর্তমানে জ্বালানি ও খাদ্যসামগ্রীর পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। তিনি বলেন, কৃত্রিমভাবে সংকট তৈরির কিছু অপচেষ্টা হলেও সরকার পরিস্থিতির উপর নিবিড় নজর রাখছে। জাতীয় মহাসড়ক ও রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক থাকলে খাদ্য বা জ্বালানির কোনো সংকট দেখা দেবে না। মন্ত্রিসভার এই সিদ্ধান্তে যেমন প্রশাসনিক পরিকাঠামো শক্তিশালী হবে, তেমনই রাজ্যের শিক্ষিত বেকার যুবকদের জন্য খুলবে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ।



