বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই প্রতিনিধি.…..খোয়াই তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে এবং খোয়াই পুর পরিষদের সহযোগিতায় ও কালচারাল ছেলের ব্যাবস্থাপনায় শনিবার সন্ধ্যায় খোয়াই পুরাতন টাউন হলে অনুষ্ঠিত হল বিশ্ব কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫ তম জন্ম জয়ন্তী অনুষ্ঠান। উক্ত অনুষ্ঠানের উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোয়াই জিলা পরিষদের সভাধিপতি শ্রীমতি অপর্ণা সিংহ রায়। এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খোয়াই পুর পরিষদের চেয়ারম্যান দেবাশীষ নাথ সর্মা, জেলা সভাপতি বিনয় দেববর্মা, মন্ডল সম্পাদক সমীর কুমার দাস, অনিমেষ নাগ, খোয়াই কালচারাল ছেলের সভাপতি দীপঙ্কর ভট্টাচার্য , বিশিষ্ট সমাজ সেবক রঞ্জন দাস,তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের আই সি ও রূপক আচার্য সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন । তাছাড়া দর্শকের আসনে উপস্থিত ছিলেন মহকুমার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত বিভিন্ন শিল্পীরা এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা। অনুষ্ঠানের শেষে বক্তব্য রাখেন খোয়াই জিলা পরিষদের সভাধিপতি শ্রীমতি অপর্ণা সিংহ রায়। তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন রবিন্দ্র নাথ ঠাকুর ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। তিনি উনার জিবনে প্রচুর গান, কবিতা,নাটক, উপন্যাস লিখে গেছেন। পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন দার্শনিকও।যার জন্য তৎকালীন সময়ে উনার হাতে লেখা সেই বিশ্ব বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ গিতান্জলি লেখার জন্য ১৯১৩ নোবেল পুরস্কার পান। পাশাপাশি তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার ১৯১৫ সালে কবি গুরু রবীন্দ্রনাথকে নাইট উপাধিতে ভূষিত করেন। কিন্তু তখন সমগ্র ভারত বর্ষে চলছিল ভারতকে ইংরেজদের হাতে থেকে স্বাধিনতার লড়াই।তাতে দেশের হাজার হাজার মানুষ এই লড়াই আন্দোলনে যোগ দান করেন।১৯১৯ সালে পাঞ্জাব প্রদেশের এক বৈশাখি মেলায় ইংরেজ সেনাবাহিনীর সেনানায়ক ব্রিগেডিয়ার রেগিনাল্ড ডায়ারের নির্দেশে কয়েক শত নিরীহ মানুষকে গুলি করে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন । তাতে কয়েক শত লোক মারা যায় এবং প্রচুর সংখ্যক লোক আহত হয়েছিল।তারই প্রতিবাদে ১৯১৯ সালের ১৩ই এপ্রিল রবিন্দ্র নাথ ঠাকুর ইংরেজদের দেওয়া সেই নাইট উপাধি ত্যাগ করেছিল।এই ধরনের অনেক কিছু করে গেছেন তিনি যা বলে শেষ করা যাবে না বলে জানান খোয়াই জিলা পরিষদের সভাধিপতি শ্রীমতি অপর্ণা সিংহ রায়। তিনি এও বলেন কবিগুরুর দেখানো পথে চলতে পারলে এই জগৎ আরো সুন্দর হবে এবং উনার দেখানো পথেই আমাদের হাঁটতে হবে আগামী প্রজন্মের জন্য।



