বক্সনগর এর বাজার সেডের ব্যাপারে শুক্রবার হেয়ারিং শেষে সিপাহীজলা জেলা শাসক নির্দেশ প্রদান করেছেন পরবর্তী শুনানিতে চূড়ান্ত নির্দেশিকা জারি করা হবে এ ব্যাপারে।তবে পরবর্তী হেয়ারিং করার সময়কাল পর্যন্ত কোন কাজ করতে পারবে না অবৈধ বাজার সেড নির্মাণকারীরা।পূর্বেও মহকুমা শাসক এই ধরনের নির্দেশিকা জারি করেছিল।মহকুমা শাসকের নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুষ্টি দেখিয়ে গত প্রায় তিন মাস যাবত ধারাবাহিকভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল জমি মাফিয়া। যেই ব্যাপারে শুক্রবার হেয়ারিং চলাকালীন সময় জেলাশাসক কড়া ভাষায় শাসিয়েছে জমি মাফিয়াদেরকে।সেখানে জমি মাফিয়াদের আইনজীবীরা কথা দিয়েছিল পরবর্তী সময়ে এই ধরনের ভুল আর হবেনা।অথচ জেলাশাসকের এই নির্দেশিকার পরেও শনিবার সকালবেলা বেশ কয়েকজন শ্রমিক এসে বাজার সেডে কাজ করতে দেখা যায়।সাথে সাথে খবর চলে যায় মহকুমা শাসকের কাছে। তাৎক্ষণিক মহকুমা শাসক স্থানীয় তহসিলদার কে ব্যাপারটি তদন্ত করার জন্য নির্দেশ দেন।স্থানীয় তহশীলদার সুমন মিয়া ঘটনাস্থলে এসে শ্রমিকদেরকে কাজ করতে দেখতে পায়। নির্দেশ অনুযায়ী তহশিলদার ব্যাপারটি ভিডিও রেকর্ডিং করে মহকুমা শাসককে অবগত করেন।এই অবস্থা দেখে শ্রমিকরা সেখান থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়। বর্তমানে অবৈধ বাজার সেডের কাজটি বন্ধ আছে।এখন দেখার জমি মাফিয়ারা পুনরায় অবৈধ কাজটি শুরু করার চেষ্টা করে কিনা। তবে তারা যে নির্লজ্জ -বেহায়া তা বলার অপেক্ষা রাখে।রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পবিত্র বিধানসভায় দাঁড়িয়ে যে কাজকে অবৈধ বলেছেন সেই কাজকে বৈধ বলে চালিয়ে যাওয়ার স্পর্ধা দেখে হতভম্ব হয়ে পড়ছে সুশীল সমাজ।এখন বক্সনগরবাসী প্রহার গুনছে কবে হার্মাদদের এই দর্প চুর্ণ করে গুড়িয়ে দেওয়া হবে অবৈধ বাজার সেডটি।রক্ষা করা হবে বক্সনগরের একমাত্র হরিমঙ্গল নদীটি।



