২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে এডিসিকে ৯১৮.৮২ কোটি টাকা দেওয়া হবে ।এই অর্থ রাশির পরিমাণ গত বছরের তুলনায় ৬.৩৪ শতাংশ বেশি। এদিন বিধানসভায় সাংবাদিক সম্মেলনে এই তথ্য জানান মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাক্তার মানিক সাহা। সাংবাদিক সম্মেলনে বাজেটের বিভিন্ন দিকগুলিও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী।
সোমবার বিধানসভায় ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের জন্য ৩৪ হাজার ২১২. ৩১ কোটি টাকার ব্যয় বরাদ্দের প্রস্তাব পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী। অর্থমন্ত্রীর এই বাজেট প্রস্তাব নিয়ে এদিন বিধানসভায় সাংবাদিক সম্মেলন করেন মুখ্যমন্ত্রী ।সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাক্তার মানিক সাহা বলেন, সুন্দর বাজেট হয়েছে এবছর। এর জন্য অর্থমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান তিনি। তিনি বলেন, এ বছরের বাজেট প্রস্তাবে অর্থরাশির পরিমাণ গতবছরের তুলনায় ৫.৫২% বেশি ।অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে পরিকাঠামগত খাতে অর্থাৎ মূলধনী ব্যয়ে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। ২০২৫ -২৬ অর্থবর্ষে মূলধনী খাতে ব্যয় ছিল ৭ হাজার ৯০৩.২৬ কোটি টাকা ।২০২৬-২৭ অর্থ বর্ষের বাজেটে মূলধনী খাতে ব্যয় রাখা হয়েছে ৮ হাজার ৯৪৫ .৯২ কোটি টাকা ।গত বছরের তুলনায় এবার এর বৃদ্ধির পরিমাণ ১৩.১৯ শতাংশ।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন ,২০২৬-২৭ অর্থ বর্ষে এডিসিকে ৯১৮.৮২ কোটি টাকা দেওয়া হবে ,যা গত অর্থ বর্ষে ছিল ৮৬০.২১ কোটি টাকা ।তিনি জানান ,মূলধনী অবকাঠামুর ৬.৩৪ শতাংশ বেশি দেওয়া হচ্ছে ডিসিকে ।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান , ২০২৬-২৭ অর্থ বর্ষে এডিসিকে ট্রাইবেল সাবপ্লেন বা টিএসপি খাতে ৭১ ৪৮.৮৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। এবার এডিসিকে এই খাতে ৭ হাজার ৫৪২ .০৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়েছে ।এর পরিমান গত বছরের তুলনায় ৫.৫০ শতাংশ বেশি।
সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, এবারের বাজেটে সবচেয়ে বড় বিষয় হলো ,এই বাজেট কর হীন ।বাজেট প্রস্তাবে স্বাস্থ্য খাতে রাখা হয়েছে ২৪৪১.৫০ কোটি টাকা যা গত বছরের তুলনায় ২৫.২৯ শতাংশ বেশি ।গ্রামীণ উন্নয়নে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৯ হাজির ৯ ৪. ৫৭ কোটি টাকা যা গত বছরের তুলনায় ১৭.৫০ শতাংশ বেশি ।কৃষি খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৯৮৫ .৬১কোটি টাকা ,যা ২০২৫-২৬ অর্থ বর্ষের বাজেটের তুলনায় ৫.৩১ শতাংশ বেশি।



