-বিদায় কথাটা শুনলেই যেন মনে হৃদয়ে ভরাক্রান্ত একটা শূন্যতার সৃষ্টি হয়, অর্থাৎ কোথায় যেন কেউ হারিয়ে যাচ্ছে, অথবা আমাদের ছেড়ে চলে যাচ্ছে। সত্যিই তো সুন্দর এই পৃথিবী ছেড়ে একদিন আমরা সবাই এপার থেকে উপারে বিদায় নিয়ে যাব। ঠিক তেমনি করে সরকারি চাকুরি কর্মরত অবস্থায় থেকে একদিন না একদিন সবাই অবসর গ্রহণের মাধ্যমে অর্থাৎ বিদায় হয়ে আবাসন স্থলে যেতে হবে। সহপাঠী সংঘের কর্মীরা, অফিসের বস থেকে নিচুস্তরে কর্মীরা সবাই একটা কথাই বলবে, মনের দিক দিয়ে দাদা তোমাদের বিদায় নয়, প্রকৃতির নিয়ম অনুসারে বিদায় দিতে,হয় তাইতো বলি বিদায় নাহি দেব তবু দিতে হয়। বক্সনগর প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তর থেকে, গত ৩১-১২ ২০২৫ ই ং তারিখ,রামপ্রসাদ চক্রবর্তী, এস এম এস সি কোলু বাড়ি, সাব সেন্টার বক্সনগর ব্যাটালি অফিসের অন্তর্ভুক্ত কর্মচারী তিনি অবসর গ্রহণ করেন। রামপ্রসাদ চক্রবর্তী তিনি প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তরে চাকুরিতে জয়েন করেন১/১২/১৯৯৮ ইং তারিখ । তার পাশাপাশি আরেকজন চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী হিসেবে বক্স নগর প্রানী সম্পদ বিকাশ দপ্তরের জয়েন করেন পঁচিশে ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ইং তারিখ কৌশিক পাটোয়ারী, উনি উনার বাড়ি আগরতলাতে। উনি ছিলেন উচ্চশিক্ষিত, অনলাইনের মাধ্যমে পরীক্ষা দিয়ে প্রমোশন নিয়ে ডিরেক্টর আইটি অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে নিযুক্ত হয়েছেন। উনার কর্মপদ্ধতি অভিজ্ঞতা খুব ছিল উন্নত মানের। গতকাল বিকাল সাড়ে চার ঘটিকায় দুজন কর্মচারীকে অফিস থেকে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান করে তাদেরকে সম্মানিত করা হয়।প্রথমে তাদেরকে উত্তরীয় এবং ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয় তাদের সহকর্মীরা। তারপর বিদায় সংবর্ধনার স্মারক তুলে দেন বক্সনগর প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তরের ডাক্তার সোলাঙ্কি সরকার মহোদয়া উনার সহকর্মীবৃন্দরা। ডাক্তার মহোদয়া বলেন এই দফতরের চাকুরী রত কর্ম অবস্থায় তিনি তাদেরকে বেশিদিন পাইনি, তারপরও তাদের কর্মজীবন গতি পদ্ধতি মিস্টার কাজকর্ম ছিল আশা ব্যঞ্জন। দপ্তরের প্রতি এবং কাজের প্রতি ছিল আঘাত ভালোবাসা একাগ্রতা সততা নিষ্ঠা এইসব তাদেরকে অনুপ্রাণিত করে তোলে। তাই ওরা দুজন সংসার জীবন এবং পরিবার জীবনে সমৃদ্ধি ভাবে পা বাড়ার আশা মঙ্গল কামনা করেন ঈশ্বরের কাছে। একদিনে যেন আনন্দঘন অন্যদিকে বিদায়ের করুন সুর ভারাকান্ত মনে বিদায় দিতে বাধ্য। রামপ্রসাদ চক্রবর্তী এবং কৌশিক পাটোয়ারী সকলের প্রতি শ্রদ্ধা নমস্কার ভক্তি জানিয়ে বিদায় সম্বর্ধনার গ্রহণ করেন এবং মধ্যাহ্ন ভোজন ফল মিষ্টি খাইয়ে অফিস থেকে বাড়িতে চলে যান।



