বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ২৮শে মে……বুধবার সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় খোয়াই জেলা গ্রন্থাগারে এক অনাড়ম্বর ও ঘরোয়া পরিবেশে মধ্যদিয়ে বাংলাসাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, সাম্যের কবি, মানবতার কবি, প্রেমের কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষে উনার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।কথায়, কবিতায়,গানে,গল্পে অনুষ্ঠানে উপস্থিত লেখক,কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী, সাংবাদিক ও সংস্কৃতি অনুরাগী সুধীজনরা কবিকে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। অনুষ্ঠানের মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বর্ষীয়ান সাহিত্যিক প্রণব কান্তি চৌধুরী, কবি ও সাহিত্য অনুরাগী ডাক্তার বিজন রক্ষিত, কবি মলয় চক্রবর্তী।প্রথমে লেখক,কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, শিল্পীসহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই কবির প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
তারপর কবির অমর সৃষ্টি নজরুল সঙ্গীত দিয়ে মূল অনুষ্ঠানের সূচনা করেন বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী গনেশ দাস। এরপর কবির জীবনী ও সাহিত্য কর্ম নিয়ে প্রারম্ভিক আলোচনার সূত্রপাত করেন বরিষ্ঠ কবি মলয় চক্রবর্তী।পর পর চলতে থাকে গান, আবৃত্তি, আলোচনা, স্বরচিত কবিতা পাঠ ইত্যাদি।
কথায়, কবিতায়,গানে,গল্পে একে একে অংশগ্রহণ করেন বর্ষীয়ান সাহিত্যিক প্রণব কান্তি চৌধুরী,কবি গনেশ দেবরায়,কবি, প্রাবন্ধিক জহরলাল দাস,কবি সুদীপ পাল,কবি রাখী পাল,কবি সুদীপ দেব,কবি দীপায়ন চন্দ,কবি সুরজিৎ কর, বাচিকশিল্পী প্রদীপ চক্রবর্তী,কবি সৌরপ্রতিম শর্মা,কবি অমিত দাস,কবি রেখা দত্ত, ছড়াকার তপন দেবনাথ,কবি বিক্রম বিশ্বাসসহ প্রায় পঁচিশজন কবি, শিল্পী, সাহিত্যিক সহ গুনীজন। খোয়াই-এর শিল্প- সাহিত্য – সংস্কৃতি অঙ্গনের পরিচিত মুখ দ্বারা আয়োজিত চিরাচরিত প্রথার বাইরে ব্যতিক্রমী এই অনুষ্ঠানে ছিল না কোন স্বরবর্ধক যন্ত্র, ছিল না কোন বাদ্যযন্ত্র, ছিল না মঞ্চ দখল করা অতিথি সমাগম। তবে মননশীলতা ও ভাবগাম্ভীর্যতায় পরিপূর্ণ বিদ্রোহী কবির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের এই অনুষ্ঠান সবাইকে আবেগাপ্লুত করে।
সবশেষে সাংবাদিক ও বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী সিদ্ধার্থ শংকর রায়ের নজরুল সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।



