আগাম নোটিশ ছাড়াই জিবি হাসপাতালে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী ড. মানিক সাহা। তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড সরেজমিনে ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসা পরিষেবা, রোগীদের অবস্থা, পরিচ্ছন্নতা ও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখেন। হাসপাতালের বিভিন্ন দিক পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যবেক্ষণ করেন তিনি। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রোগীদের আরও উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে আধুনিক ও উন্নতমানের ওষুধ ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি হাসপাতালের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত সমস্যার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত এই সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দেন, যাতে চিকিৎসক, রোগী ও তাঁদের আত্মীয়দের মধ্যে যোগাযোগ আরও সহজ ও কার্যকর হয়।
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারি হাসপাতাল মানেই ভাঙাচোরা অবকাঠামো—এই প্রচলিত ধারণা বদলাতে হবে। হাসপাতালের ভবন, ওয়ার্ড, আসবাবপত্র এবং সামগ্রিক পরিবেশ এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে সরকারি হাসপাতাল সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয়। তিনি জানান, জিবি হাসপাতাল রাজ্যের প্রধান সরকারি হাসপাতাল হওয়ায় এখানেই সবচেয়ে বেশি রোগীর চাপ থাকে। সেই চাপ কিছুটা কমাতে এবং রোগীদের আরও উন্নত পরিষেবা দিতে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট সিটি হাসপাতাল চালু করা হয়েছে। জিবি হাসপাতালের পরিষেবা ও পরিকাঠামোর মানোন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী ড. মানিক সাহা। তাঁর মতে, আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা, উন্নত অবকাঠামো এবং রোগীবান্ধব পরিষেবার মাধ্যমেই সরকারি হাসপাতালের প্রতি মানুষের আস্থা আরও বাড়ানো সম্ভব।



