বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ২৩ শে এপ্রিল….. খোয়াই পূর্ত দফতরের বাস্তুকার ও ঠিকেদার মিলে সরকারি কাজের জায়গায় খননের মাটি অবৈধভাবে অন্যত্র বিক্রি করে দিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকার বানিময়ে। অভিযোগ মূলে জানা যায় সরকারি টাকায় সরকারি জমির মাটি দিয়ে অবৈধভাবে দেদার পুকুর ভরাটের কাজ চলছে। সরকারি দপ্তরকে ঘুমে রেখে। তবে ঘটনার বিবরণে জানা যায় খোয়াই ধলাবিল স্থিত চা বাগান সংলগ্ন স্থানে প্রায় ৭০ কোটি টাকা ব্যয় করে শুরু হয়েছে খোয়াই জেলা হাসপাতালের কাজ। সরকারের এইরকম উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে আপ্লুত গোটা খোয়াই জেলার জনগণ। ঠিক তখনই স্থানীয় সূত্রে খবরে জানা যায় খোয়াই পূর্ত দপ্তরের বাস্তুকার ও ঠিকাদার মিলে সংশ্লিষ্ট স্থানের মাটি অন্যত্র লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে পুকুর ও জমি ভরাটের কাজ করছে বলে স্থানীয় সূত্রে অভিযোগ। গোটা বিষয়টি নিয়ে যখন পূর্ত দপ্তরের খোঁজ খবর নেওয়া হয় তখন দপ্তর জানিয়েছেন কনস্ট্রাকশন এর কাজ যেখানে হচ্ছে সেখান থেকে চার কিলোমিটার এর মধ্যে সরকারি রাস্তা সংলগ্ন স্থানে গর্তে মাটি ফেলা হচ্ছে পূরণ করার জন্য। কিন্তু অন্যদিকে ঠিকাদার এবং বাস্তুকার মিলে লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে পুকুর ভরাট ও জমি ভরাট চালাচ্ছে। অন্যদিকে শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মহলের বক্তব্য যেখানে রাজস্ব দপ্তর বারবার সাধারণ জনগণকে বার্তা দিচ্ছেন সরকারি অনুমোদন ব্যথিত পুকুর এবং নাল জমি ভরাট না করার জন্য সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের মাটি দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে পুকুর ভরাটের কাজ চলছে। এই বিষয়ে স্বাস্থ্য দপ্তর এবং প্রশাসন গোটা বিষয়টি নিয়ে শীত ঘুমে আচ্ছন্ন। এখন দেখার বিষয় এই খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পর প্রশাসনের টনক নড়ে কি না, বা কি ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন বাস্তুকার ও ঠিকেদারের বিরুদ্ধে।



