Tuesday, February 27, 2024
বাড়িখবরশীর্ষ সংবাদজি নেক্স মডেল স্কুলের উদ্যোগে রক্তদান শিবিরের আয়োজন

জি নেক্স মডেল স্কুলের উদ্যোগে রক্তদান শিবিরের আয়োজন

খোয়াই দুর্গানগর স্থিত জি নেক্সট মডেল স্কুলের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার দুপুরে এক রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয় স্কুল চত্বরে। এই রক্তদান শিবিরের উদ্বোধন করেন খোয়াই জিলা পরিষদের সদস্য সুব্রত মজুমদার। এছাড়া রক্তদান শিবির অনুষ্ঠানের মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন খোয়াই পঞ্চায়েত সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান তাপস কান্তি দাস, খোয়াই পুর পরিষদের চেয়ারম্যান দেবাশীষ নাথ শর্মা, ইস্কুল কমিটির সভাপতি অঞ্জন গোস্বামী, খোয়াই জেলা হাসপাতালে চিকিৎসক অরিন্দম দেববর্মা সহ স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা সহ অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। এই রক্তদান শিবিরে মোট কুড়িজন স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন তার মধ্যে স্কুলের চারজন শিক্ষিকাও স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন। রক্তদান শিবিরের আলোচনা করতে গিয়ে জিলা পরিষদের সদস্য সুব্রত মজুমদার বলেন রক্তদান শ্রেষ্ঠ দান এর থেকে বড় দান এই পৃথিবীর বুকে আর নেই। রক্তদান করলে যেমন শরীর সুস্থ থাকে কেমন মানসিক শান্তি ও পাওয়া যায় এই কারণে যে রক্তদাতার কারণে একজন মুমূর্ষু রোগি মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফিরে আসতে পারে। তাই রাজ্যে রক্ত সংকটের কথা চিন্তা করে মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা রাজ্যের সব ধরনের ক্লাব সামাজিক সংস্থা থেকে শুরু করে সাধারণ জনগণের কাছে আবেদন রেখেছিলেন যাতে রক্ত সংকটের হাত থেকে বাঁচার জন্য সবাই এগিয়ে এসে রক্তদানের ব্যবস্থা করেন। উনার ডাকে সাড়া দিয়ে বর্তমান সময় সারা রাজ্যে এক প্রকার রক্তদানের উৎসব চলছে প্রতিনিয়ত রক্তদানের ব্যবস্থা করে চলেছে বিভিন্ন সামাজিক সংস্থা ক্লাবগুলি এতে করে অল্প অল্প করে রক্ত সংকটের হার কিছুটা লাঘব হয়েছে। সেই জায়গায় দাড়িয়ে জি নেক্সট মডেল স্কুলের কর্তৃপক্ষরা বিদ্যা দান এর মধ্যেও রক্তদানের মত মহান সামাজিক কাজের গুরুদায়িত্ব মাথায় নিয়ে রক্তদানের ব্যবস্থা করেছেন এর জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষকে খোয়াই জিলা পরিষদের সদস্য সুব্রত মজুমদার আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানান। শেষে রক্তদান বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে ডক্টর অরিন্দম দেববর্মা বলেন বিজ্ঞানের কারণে পৃথিবীতে সমস্ত কিছু উৎপাদন হলেও বিজ্ঞান রক্ত উৎপাদন করতে পারেনি। এই রক্ত উৎপাদন হয় মানব ফ্যাক্টরিতে অর্থাৎ মানবদেহে যার তুলনা কারো সাথে করা যায় না। মানব শরীর যেমন রক্ত তৈরি হয় তেমন ১২০ দিন পর সেই রক্ত আবার সেই শরীরে নষ্ট হয়ে যায় তাই ডক্টর অরিন্দম দেববর্মা প্রত্যেক নাগরিকের কাছে আবেদন করেন যাতে সবাই পালা করে রক্তদান করেন তাতে নিজেও সুস্থ থাকবেন পাশাপাশি রক্তদানের ফলে একজন মুমূর্ষু রোগি প্রাণী বেঁচে যাবেন এবং রক্তদানের কারণে এক মানসিক তৃপ্তিও চলে আসে। তাই সবাইকে এই মহৎ কাজে এগিয়ে আসার জন্য আহবান রাখেন ডক্টর অরিন্দম দেববর্মা।

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -spot_img

জনপ্রিয় খবর

সাম্প্রতিক মন্তব্য