বিশুদ্ধ পঞ্জিকার তিথি মেনে ষষ্ঠী, সপ্তমী ও অষ্টমীর পর এবার অনুষ্ঠিত হলো মহানবমীর পূজা। মঙ্গলবার রাজ্যের বিভিন্ন পূজামণ্ডপে ধর্মীয় রীতিনীতি ও নিষ্ঠার সঙ্গে সম্পন্ন হয় দেবী দুর্গার নবমী আরাধনা। দুর্গোৎসবের শেষলগ্নে পৌঁছে বিদায়ের সুরও যেন ধীরে ধীরে বাজতে শুরু করেছে। আগামীকাল দশমী পূজা সম্পন্ন হওয়ার পর থেকেই শুরু হবে প্রতিমা নিরঞ্জনের পালা। বিশেষ করে বাড়িঘরে আয়োজিত অধিকাংশ দুর্গাপ্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে দশমীর দিনেই। এদিকে, রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী দুর্গাপূজাগুলির মধ্যে অন্যতম আগরতলার দুর্গাবাড়ির পূজাকে ঘিরে এবারও ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। প্রতি বছর সরকারি উদ্যোগে রাজন্য স্মৃতিবিজড়িত দুর্গাবাড়িতে দেবী দুর্গার আরাধনার আয়োজন করা হয়। উৎসবের দিনগুলিতে এই মন্দিরে পুজো দিতে ভিড় জমান অসংখ্য ভক্ত ও দর্শনার্থী। মঙ্গলবার মহানবমীর দিনও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। সকাল থেকেই দুর্গাবাড়িতে ভক্তদের সমাগম লক্ষ্য করা যায়। ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে সম্পন্ন হয় নবমী পূজা। দেবীর চরণে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করে ভক্তরা প্রার্থনা করেন। দুর্গোৎসবের শেষপর্বে দুর্গাবাড়ির এই ঐতিহ্যবাহী আয়োজনকে কেন্দ্র করে মন্দির প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। মহানবমীর পূজা সম্পন্ন হওয়ার পর এবার অপেক্ষা দশমীর। দেবীকে বিদায় জানানোর প্রস্তুতির মধ্যেই ভক্তদের মনে যেমন বিষাদের সুর, তেমনই আগামী বছর আবারও মায়ের আগমনের প্রত্যাশা।



