আগরতলার কলেজ টিলা এলাকার ঐতিহ্যবাহী মহাত্মা গান্ধী স্মৃতি দ্বাদশ শ্রেণী উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলো সোমবার। আগরতলার রবীন্দ্রশতবার্ষিকী ভবনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ তথা বিদ্যালয়ের প্রাক্তনী রাজীব ভট্টাচার্য। উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন সাংসদ তথা বিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষক রেবতী ত্রিপুরা, প্রধান শিক্ষক টিটু সাহা সহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের গৌরবময় ঐতিহ্য, শৃঙ্খলা ও শিক্ষার মান নিয়ে বক্তব্য রাখেন সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য।
ঐতিহ্য আর গৌরবের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে আজও সুনামের সঙ্গে এগিয়ে চলেছে আগরতলার মহাত্মা গান্ধী স্মৃতি দ্বাদশ শ্রেণী উচ্চ বিদ্যালয়। ১৯৫১ সালে কলেজ টিলা এলাকায় প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়ের বার্ষিক অনুষ্ঠান ঘিরে এদিন ছিল উৎসবের আবহ। রবীন্দ্রশতবার্ষিকী ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রাক্তনী তথা রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন সাংসদ এবং বিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষক রেবতী ত্রিপুরা, প্রধান শিক্ষক টিটু সাহা সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বিদ্যালয়ের প্রাক্তনীদের সাফল্যের কথাও এদিন উঠে আসে সাংসদের বক্তব্যে। তাঁর কথায়, এই বিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করে বহু স্বনামধন্য ব্যক্তি ত্রিপুরার নাম বিভিন্ন ক্ষেত্রে উজ্জ্বল করেছেন। একসময় প্রতি বছরই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় এই বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা কৃতিত্বের সঙ্গে স্থান করে নিত বলেও স্মৃতিচারণ করেন তিনি। শুধু পড়াশোনা নয়, বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা এবং ছাত্রছাত্রীদের নৈতিক শিক্ষার উপরও গুরুত্ব দেন রাজীব ভট্টাচার্য। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পরিশ্রমের ফলেই বিদ্যালয়টি আজও তার ঐতিহ্য ধরে রেখেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। অনুষ্ঠান থেকে ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যেও বিশেষ বার্তা দেন সাংসদ। তাঁর মতে, বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের কাছে শুধু শিক্ষা গ্রহণের স্থান নয়, বরং একটি মন্দিরের মতো। আর শিক্ষকরা হলেন শিক্ষাগুরু। তাই তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যালয়ের নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি। ১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত মহাত্মা গান্ধী স্মৃতি দ্বাদশ শ্রেণী উচ্চ বিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বহু প্রজন্মের স্মৃতি ও সাফল্য। প্রাক্তনী থেকে বর্তমান শিক্ষক—অনুষ্ঠানের মঞ্চে উঠে এসেছে সেই দীর্ঘ ঐতিহ্যের কথাই। আগামী প্রজন্মের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যেও এই ঐতিহ্য ও শৃঙ্খলার ধারা অব্যাহত থাকবে, এমনটাই প্রত্যাশা বিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত সকলের।



