আখাউড়া রোডে গাড়ি শেখার সময় বড়সড় দুর্ঘটনার অভিযোগ। ঘটনায় টমটম চালকসহ অন্তত দু’জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আর এই ঘটনাকে ঘিরেই উঠছে একাধিক প্রশ্ন। অভিযোগ, গাড়ি চালানো শিখছিলেন এক পুলিশ সুপারের ১৬ বছর বয়সি কন্যা। দুর্ঘটনার পর তাঁকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
গাড়ি শেখার সময়ই বিপত্তি। আখাউড়া রোডে ঘটে গেল বড়সড় যান দুর্ঘটনা। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দুর্ঘটনায় টমটম চালকসহ দু’জন আহত হয়েছেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। আর এরপরই সামনে আসে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। অভিযোগ উঠেছে, গাড়িটি চালানো শিখছিলেন রাজ্যের এক পুলিশ সুপারের ১৬ বছর বয়সি কন্যা। দুর্ঘটনার পর পুলিশি প্রভাব খাটিয়ে তাঁকে চুপিসারে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে—এমনই অভিযোগ করেছেন বক্তা। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা ঘটনার সম্পূর্ণ বিবরণ এখনও স্পষ্ট নয়। প্রশ্ন উঠছে আরও একটি বিষয় নিয়ে। গাড়ি চালানো শেখার জন্য জনবহুল রাস্তা কেন বেছে নেওয়া হলো? অভিজ্ঞ মহলের একাংশের মত, গাড়ি চালানো শেখানোর ক্ষেত্রে প্রথমেই বেছে নেওয়া উচিত ছিল অপেক্ষাকৃত নির্জন ও নিরাপদ স্থান কিংবা প্রশিক্ষণের উপযোগী মাঠ। সেখানে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে গাড়ি চালানোর প্রাথমিক প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব। কিন্তু জনবহুল আখাউড়া রোডে গাড়ি শেখার সময় দুর্ঘটনার ঘটনায় এখন প্রশ্ন উঠছে চালকের বয়স, প্রশিক্ষণের পদ্ধতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে। ১৬ বছর বয়সি একজন কিশোরী কীভাবে জনবহুল রাস্তায় গাড়ি চালানোর প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন? দুর্ঘটনার পর তাঁকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগের সত্যতা কতটা? আহতদের চিকিৎসা ও দুর্ঘটনার তদন্তই বা কীভাবে এগোচ্ছে? আখাউড়া রোডের এই দুর্ঘটনাকে ঘিরে এখন মূল প্রশ্ন একটাই—আইন রক্ষাকারী সংস্থার সঙ্গে যুক্ত পরিবারের সদস্যের ক্ষেত্রে কি একই আইন ও নিয়ম প্রযোজ্য হবে না? দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং অভিযোগের সত্যতা তদন্তের পরই পরিষ্কার হবে।



