রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে আগরতলার মহারাণী তুলসীবতী বালিকা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হলো ‘মায়ের গমন ২০২৬’। দুর্গাপুজোর আনন্দময় আবহে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ড.) মানিক সাহা, মন্ত্রী টিঙ্কু রায়, মন্ত্রী শুক্লা চরণ নোয়াতিয়া, আগরতলা পুরনিগমের মেয়র তথা বিধায়ক দীপক মজুমদার-সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। দুর্গাপুজোর চার দিনের উৎসব শেষে মা দুর্গার বিদায়কে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে আগরতলা শহরের বিভিন্ন ক্লাব অংশগ্রহণ করে। বর্ণাঢ্য উপস্থাপনা, গান-বাজনা এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে ক্লাবগুলি নিজেদের সৃজনশীলতা ও শিল্পকলার পরিচয় তুলে ধরে। বিভিন্ন ক্লাবের আকর্ষণীয় পরিবেশনা দর্শকদের বিশেষভাবে মুগ্ধ করে। আগরতলা শহরের পাশাপাশি বহিঃরাজ্য থেকেও বহু অতিথি ও দর্শনার্থী এই অনুষ্ঠান উপভোগ করতে উপস্থিত হন। অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে মহারাণী তুলসীবতী বালিকা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ও সংলগ্ন এলাকায় উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। মায়ের বিদায়ের আবেগঘন মুহূর্তকে ঘিরে আয়োজিত এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান ত্রিপুরার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, শিল্পকলা এবং সার্বজনীন দুর্গোৎসবের চিত্রকে আরও একবার তুলে ধরে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ড.) মানিক সাহা দুর্গাপুজো শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখরভাবে সম্পন্ন করার জন্য রাজ্যবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন ক্লাব, পুজো উদ্যোক্তা, সাধারণ মানুষ এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতার জন্য তাঁদের ধন্যবাদ জানান। সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ ও অংশগ্রহণের ফলেই রাজ্যে দুর্গাপুজোর মতো বৃহৎ উৎসব সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সব মিলিয়ে, ‘মায়ের গমন ২০২৬’ শুধু মা দুর্গার বিদায়কে কেন্দ্র করে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানই নয়, বরং বিভিন্ন ক্লাবের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আগরতলার উৎসবের ঐতিহ্য, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের এক বর্ণাঢ্য প্রকাশ হয়ে ওঠে।



