বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ২৯ শে আগষ্ট…….সিমেন্ট চুরির ঘটনার ৮ দিন পর শাক দিয়ে মাছ ঢাকতে প্রসমিট করলেন খোয়াই বিজেপি জেলা সভাপতি সমির কুমার দাস টিন্টুকে পাশে নিয়ে। খোয়াই পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান টিংকু ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগকে খণ্ডন করতে গিয়ে বিজেপি দলের খোয়াই জেলার সভাপতি সমীর কুমার দাস সাংবাদিক সম্মেলন করতে বসলেন তাতে বিষয়টি হাসির খোরাকে পরিনত হয়।গত ৮ দিন আগে সিমেন্ট চুরির ঘটনাকে সার্বিক ভাবে নিয়ন্ত্রনের পর শনিবার দুপুরে খোয়াই পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারপারসন টিংকু ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ ও অপপ্রচারকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং মিথ্যা বলে দাবি করে সাংবাদিক সম্মেলন করল বিজেপি খোয়াই জেলা কমিটি। শনিবার সকালে বিজেপি খোয়াই জেলা কার্যালয়ে আয়োজিত এই সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি খোয়াই জেলা সভাপতি সমীর কুমার দাস, খোয়াই মণ্ডল সভাপতি অনুকূল চন্দ্র দাস, আশারামবাড়ি মণ্ডল সভাপতি জয়ন্ত দেববর্মা, খোয়াই পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারপারসন টিংকু ভট্টাচার্য সহ দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।
সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তারা দাবি করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে টিংকু ভট্টাচার্যের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার লক্ষ্যে একটি মহল মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচার চালাচ্ছে। তারা বলেন, জনসেবামূলক কাজে তাঁরা সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সাফল্যের কারণে বিরোধীরা এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে। বিজেপি নেতৃত্ব স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, টিংকু ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই। পাশাপাশি তারা জনগণকে বিভ্রান্তিমূলক প্রচারে কান না দিয়ে সত্য তথ্যের উপর আস্থা রাখার আহ্বান জানান। এই দিন দলের পক্ষ থেকে অপপ্রচার বন্ধ করার দাবি জানানো হয় এবং ভবিষ্যতেও উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।যে সাংবাদিক সম্মেলনে বসে জেলা সভাপতি সমীর কুমার দাস তাদের উন্নয়নের ঢ়েকুর তুললেন তাহলে যার বিরুদ্ধে চুরির ঘটনার খবর প্রচার হয় প্রসমিটে বসে উনিতো টু শব্দটি করলেন না!যা সাফাই গাইলেন জেলা সভাপতি কন? সেই প্রশ্নটাই উঠতে শুরু করেছে এখন।যায় বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে উনি ঠুটু জগন্নাথ হয়ে বসে রইলেন। তাইতো প্রবাদে বলে মৌনতাই সম্মতির লক্ষণ।এই উক্তিটিই করেছিলেন খোয়াই এর বিধায়ক নির্মল বিশ্বাস।সেই সিমেন্ট চুরির ঘটনার তিনদিনের মাথায় ও খোয়াই পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান টিন্টু ভট্টাচার্যী বা উনার দল বিজেপির পক্ষ থেকে কোন ধরনের প্রতিক্রিয়া জানোনার প্রয়োজন বোধ করেনি তারা কেহ। এখানে বুঝা যায় শর্ষের মধ্যে ভূত।যা আজ প্রমানিত হল এই প্রসমিটে।তাইতো গত আট দিনে তারা সবদিকে আট ঘাট বেঁধে তদন্ত করিয়ে শেষে সাফাই গাইতে প্রসমিট করলেন বিজেপি খোয়াই জেলা কমিটি।এই চুরির বিষয়টিক তদন্ত করার জন্য খোয়াই ব্লক আধিকারিক চোরদের দিয়েই তদন্ত করালেন এবং বললেন সেই সিমেন্ট গুলি নষ্ট। সেই গুলোকে ফেলতে গিয়ে এই ঘটনা। এখানেই প্রশ্ন উঠেছে শুরু করেছে নষ্ট সিমেন্ট গুলি ফেলার জন্য খোয়াই সহরের আর কোনো জায়গা কি ছিলনা বেছে বেছে বারবিল টিন্টু ভট্টাচার্যীর বাড়ির সামনে তাও রাত এগারটার পরে।এই ভাবে সাফাই গাইলেন চেয়ারম্যান এর পক্ষ হয়ে খোয়াই ব্লকের বিডিও। তবে এই এই সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত থেকেও যখন টিন্কু ভট্টাচার্যী উনার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোন স্পষ্টিকরন দেননি তাতেই সব পরিষ্কার হয়ে গেল।আর সাংবাদিক সম্মেলনে ছিল একটা লোকদেখানো অনুষ্ঠানের একটি অংশ যা খোয়াই বাসি বুঝে গেছে আসল ঘটনা কি ঘটেছিল কারন চুব ছিলেন খোয়াই পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান টিন্টু ভট্টাচার্যী!!



