চুরি রুখতে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে ফের সাফল্য পেল আমতলী থানার পুলিশ। গভীর রাতে বিশেষ ডিউটি চলাকালীন আমতলী বাইপাস এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই সন্দেহভাজন চোরকে আটক করেছে পুলিশ। অভিযোগ, একটি ওয়াগনার গাড়ি ব্যবহার করে বিভিন্ন এলাকায় চুরির ঘটনা সংঘটিত করত তারা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃত দু’জন হল প্রণব দাস, তার বাড়ি মলয়নগর এলাকায় এবং রাজীব সাহা, তার বাড়ি দক্ষিণ নারায়ণপুর এলাকায়। পুলিশের দাবি, চুরির কাজে ব্যবহৃত একটি ওয়াগনার গাড়িও তাদের কাছ থেকে আটক করা হয়েছে। গাড়িটির নম্বর TR-03P-O249।
জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরেই আমতলী থানা এলাকায় চুরি ও চোরচক্রের গতিবিধির বিরুদ্ধে বিশেষ নজরদারি চালাচ্ছিল পুলিশ। বিভিন্ন এলাকায় সন্দেহজনক ব্যক্তিদের গতিবিধির উপরও নজর রাখা হচ্ছিল। এরই মধ্যে গভীর রাতে বিশেষ ডিউটিতে থাকা পুলিশ সদস্যরা আমতলী বাইপাস এলাকায় দুই ব্যক্তিকে সন্দেহজনক অবস্থায় দেখতে পান।
পুলিশ তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। প্রাথমিকভাবে তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন এলাকায় চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ উঠে আসে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। চুরির কাজে ব্যবহৃত ওয়াগনার গাড়িটিও তদন্তের স্বার্থে আটক করা হয়েছে।
এই ঘটনায় আমতলী থানার পুলিশ আধিকারিক রানা চ্যাটার্জী জানান, চোরচক্রের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলছে। চুরি ও অন্যান্য অপরাধের সঙ্গে কারা জড়িত, তাদের চিহ্নিত করার পাশাপাশি চুরির ঘটনায় ব্যবহৃত যানবাহন সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন ধরেই আমতলী থানা এলাকায় চোরচক্রের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, এই ধারাবাহিক অভিযানে ইতিমধ্যেই ১০ জনেরও বেশি সন্দেহভাজন চোরকে আটক করা হয়েছে।
তবে ধৃত প্রণব দাস ও রাজীব সাহার সঙ্গে আরও কেউ চুরির ঘটনায় যুক্ত রয়েছে কি না, কিংবা ওয়াগনার গাড়িটি ব্যবহার করে ঠিক কোন কোন এলাকায় চুরির ঘটনা ঘটানো হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে চোরচক্রের আরও সদস্যের সন্ধান পাওয়ার চেষ্টা চলছে।
চুরি ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আমতলী থানার এই বিশেষ অভিযান আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। এবার ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে চোরচক্রের আরও কোনো তথ্য সামনে আসে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে।



