বাসুদেব ভট্টাচার্জি খোয়াই ৮ ই জুলাই………সঠিক পরিকল্পনা ছাড়া টুডা কোম্পানিকে দিয়ে খোয়াই শহরের উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ করতে গিয়ে কয়েক ঘন্টার বৃষ্টিতে জল জমার কারণে নাকানি চুবানি খেলো খোয়াই বাসি ।মঙ্গলবার রাত ৭টা নাগাদ শুরু হয়েছিল বৃষ্টি, এই বৃষ্টির রাত গড়িয়ে বুধবার দুপুর বারোটা পর্যন্ত চলে তাতে প্রায় ১৮ ঘন্টার বৃষ্টি হয় । এই বৃষ্টির ফলে বানভাসি হয়ে পড়ে খোয়াই শহরের প্রাণকেন্দ্র শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির প্রাঙ্গণটি।যদিও এই যায়গায় কোনসময়ই এই ভাবে জল দাঁড়ায়নি। কিন্তু গত কয়েক মাস ধরে খোয়াই সহর জুড়ে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এর সহায়তায় এবং টুডা সহ আরেকটি নির্মাণ সংস্থার উদ্যোগে চলছে সহড়ে উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ পাশাপাশি সহড়ে জুড়ে চলছে কভার ড্রেইন তৈরির কাজ।আর তাতে করে খোয়াই সহরের জল নিকাশি ব্যাবস্থা একে বারেই মুখথুবড়ে পরেছে যা বৃষ্টির ফলে বুধবার খোয়াই বাসি প্রত্যক্ষ করল। প্রচন্ড বৃষ্টির ফলে খোয়াই কৃষ্ণ মন্দিরের ঐ এলাকাটি জল প্লাবিত হয়ে পড়ে। তাতে অনেক মুদির দোকান, কাপড়ের দোকানে সেই জল ঢুকে পড়লে বেশ কিছু ব্যাবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে।এই ঘটনায় শেষে খোয়াই পুর পরিষদের ইন্জিনিয়ার রাজিব দেববর্মা মাঠে নামেন বুলডোজার নিয়ে। অবশেষে বুলডোজার দিয়ে ঐ এলাকার দোকানের সামনের ড্রেনের স্লেব গুলি তুলে ফেলা হয় জল নিকাশের জন্য। কিন্তু খোয়াই সহড়ের প্রানকেন্দ্র সহড়ের জল আটকে গিয়ে এক উদ্ভট পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও দেখা য়ায়নি পুর পরিষদের চেয়ারম্যানকে। না ছিল কোন সরকারি আধিকারিক নাছিল কোন রাজনৈতিক নেতৃত্ব।ঐ এলাকার দোকান দারদের সামনে এই সমস্যার সমাধানের জন্য কাউকেই এগিয়ে আসতে দেখে যায়নি।একসময় এলাকার ব্যবসায়ীরা ক্ষিপ্ত হয়ে পাকড়াও করে খোয়াই পুর পরিষদের ইন্জিনিয়ার রাজিব দেববর্মাকে। উনার সাথে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সাথে প্রচন্ডভাবে বাঁক বিতন্ডা শুরু হয় এবং এই কাজ বন্ধের জন্য দাবি তোলে এলাকাবাসী সহ ব্যবসায়ীরা, পাশাপাশি তাদের ক্ষয়ক্ষতির মূল্যে দিতে দিবি তোলে ব্যাবসায়ীরা।তবে কৃষ্ণ মন্দির প্রাঙ্গণে জল আটকে গিয়ে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে তাতে এলার ব্যাবসায়ী সহ খোয়াই সহড়ের জনগন প্রচন্ড ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে তাতে যাতায়াতের জন্য ওই এলাকার রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়।নতুন করে ড্রেইন তৈরি করা হয়েছে এবং তার জল নিকাশি ব্যাবস্থা সঠিক না হবার ফলে এই দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন ঐ এলাকার দোকানের মালিক ও এলাকাবাসীরা।অন্যদিকে গত ১৮ ঘন্টা ধরে বৃষ্টির ফলে খোয়াই নদীর জল বেপক হাড়ে বেড়েই চলেছে। খোয়াই মহকুমা শাসক এর পক্ষ থেকে মাইকিং করে খোয়াই বাসিকে জানিয়ে দেওয়া হয় যাতে করে কোন সাধারণ মানুষ ও কোন ব্যক্তি যাতে নদীতে না নামেন। তবে রাতে খবর লেখা অব্দি খবর রয়েছে যে মহকুমা জুড়ে কোথাও কোন ত্রাণ শিবির তৈরি হয়নি।



