ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (NIT) কুরুক্ষেত্র এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (NIT) আগরতলার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিটি প্রতিনিধিদলকে এক সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক অভিজ্ঞতা প্রদান করেছে। এই সফরের অংশ হিসেবে তাঁরা ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দির, লোক ভবন (আগরতলা), নীরমহল, ছাবিমুড়া, ONGC ত্রিপুরা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড এবং স্থানীয় বিভিন্ন গ্রাম পরিদর্শন করেন; যার মাধ্যমে ত্রিপুরার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং উন্নয়নের চিত্র তাঁদের সামনে তুলে ধরা হয়।
এই কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ তাঁদের সদয় উপস্থিতি দ্বারা অনুষ্ঠানটিকে অলঙ্কৃত করেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (NIT) আগরতলার অধিকর্তা অধ্যাপক শরৎ কুমার পাত্র, যিনি প্রতিনিধিদলকে এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে জাতীয় সংহতি ও সাংস্কৃতিক বোঝাপড়া গড়ে তোলার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে উৎসাহিত করেন; গোমতী জেলা (উদয়পুর, ত্রিপুরা)-র জেলাশাসক ও সমাহর্তা শ্রী রিঙ্কু লাথের (IAS), যিনি ‘এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর ভাবধারাকে সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে যুবসমাজের অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন; এবং অধ্যাপক অরবিন্দ কুমার জৈন, যিনি সমগ্র কর্মসূচি জুড়ে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও পারস্পরিক মতবিনিময়ের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
হরিয়ানার প্রতিনিধিদল এবং ত্রিপুরার শিক্ষার্থীদের পরিবেশিত মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালা সমাপনী সমারোহে এক প্রাণবন্ত আভা সঞ্চার করে। এই পরিবেশনাগুলো ‘বৈচিত্র্যের মাঝে ঐক্য’-এর প্রকৃত ভাবধারাকে প্রতিফলিত করার পাশাপাশি বিভিন্ন সংস্কৃতি ও অঞ্চলের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে তোলে।



