Friday, March 20, 2026
বাড়িখবররাজ্যজাতীয় শিক্ষা নীতি, ২০২০-এর মূল উদ্দেশ্য হলো সকল স্তরের শিক্ষার্থীরা যেন যোগ্য...

জাতীয় শিক্ষা নীতি, ২০২০-এর মূল উদ্দেশ্য হলো সকল স্তরের শিক্ষার্থীরা যেন যোগ্য এবং পেশাগতভাবে প্রশিক্ষিত শিক্ষকদের দ্বারা শিক্ষা লাভ করে তা নিশ্চিত করা – রাজ্যপাল

জাতীয় শিক্ষা নীতি, ২০২০-এর মূল উদ্দেশ্য হলো সকল স্তরের শিক্ষার্থীরা যেন যোগ্য এবং পেশাগতভাবে প্রশিক্ষিত শিক্ষকদের দ্বারা শিক্ষা লাভ করে তা নিশ্চিত করা। শিক্ষকদের কেবল তথ্য প্রদানকারী হওয়ার পরিবর্তে আধুনিক শ্রেণিকক্ষের জন্য চিন্তাভাবনার সহায়ক হিসেবে কাজ করতে হবে। আজ প্রজ্ঞা ভবনে ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার এডুকেশন এবং ইনস্টিটিউট অফ অ্যাডভান্সড স্টাডিজ ইন এডুকেশন, ত্রিপুরার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘দেশব্যাপী এনপিএসটি ও এনএমএম চালুর জন্য স্টেকহোল্ডারদের সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক রাজ্যস্তরীয় কর্মশালার উদ্বোধন করে রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নাল্লু একথা বলেন।

অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল বলেন, রাজ্য ও দেশের ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য শিক্ষক ও শিশুদের ওপর বিনিয়োগ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় দক্ষতার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ক্ষমতায়ন করা হলে আরও ন্যায়সঙ্গত ও কার্যকর শিক্ষা ব্যবস্থা তৈরিতে সহায়ক হবে, যার ফলে শিক্ষার্থীরাও উপকৃত হবে। শিক্ষকদের জন্য জাতীয় পেশাগত মানদণ্ড (এনপিএসটি)-এর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই উদ্যোগটি শিক্ষকদের ধারাবাহিক পেশাগত ও ব্যক্তিগত গুণমান বৃদ্ধির বিষয়ে এনইপি ২০২০-এর দৃষ্টিভঙ্গির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ন্যাশনাল মিশন ফর মেন্টরিং (এনএমএম) প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে রাজ্যপাল বলেন, এর লক্ষ্য হলো স্কুল শিক্ষকদের পরামর্শ দেওয়ার জন্য অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের একটি বৃহৎ দল তৈরি করা, স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী পেশাগত সহায়তার প্রসার ঘটানো এবং শিক্ষাবিদদের মধ্যে জ্ঞান বিনিময়কে উৎসাহিত করা। শিক্ষক প্রশিক্ষণ মহাবিদ্যালয় এবং ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভান্সড স্টাডিজ ইন এডুকেশনের মতো সংস্থাগুলি কেবল ডিগ্রি প্রদানকারী সংস্থা না থেকে শিক্ষণ পদ্ধতি বিষয়ক গবেষণা, উদ্ভাবন এবং নিরন্তর পেশাগত উন্নয়নের কেন্দ্রে পরিণত হওয়ার জন্য রাজ্যপাল আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এবং শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জয়ন্ত চৌধুরীর বার্তা শুনানো হয়। এছাড়াও অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় সংগঠনের কমিশনার বিকাশ গুপ্ত এবং এনসিটিই-এর চেয়ারপার্সন অধ্যাপক পঙ্কজ অরোরা সহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের ভিডিও বার্তাও উপস্থাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে এছাড়াও এনসিটিই-এর একাডেমিক এডভাইজার ডি. কে. চতুর্বেদী, এস.সি.ই.আর.টি.-র অধিকর্তা এল ডার্লং, উচ্চশিক্ষা দপ্তরের অধিকর্তা অনিমেষ দেববর্মা এবং ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভান্সড স্টাডিজ ইন এডুকেশনের প্রিন্সিপাল রত্না রায় উপস্থিত ছিলেন।

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

12 − ten =

- Advertisment -spot_img

জনপ্রিয় খবর

সাম্প্রতিক মন্তব্য