চাপা আর্তনাদ ,চোখের জল আর ফুলের তোড়ায় প্রয়াত সাংবাদিক নন্দন চক্রবর্তীকে শেষ শ্রদ্ধা জানালো আগরতলা প্রেসক্লাব ।বুধবার সাত সকালে শান্তির বাজার মহাকুমার রাজাপুর বাজার সংলগ্ন এলাকায় স্কুটি দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় রাজ্যের বহুল প্রচলিত দৈনিক সংবাদপত্র স্যন্দন পত্রিকার সাংবাদিক নন্দন চক্রবর্তীর। তার অকাল প্রয়াণে সাংবাদিক এবং সংবাদপত্র কর্মী মহলে শোকের ছায়া নেমে আসে।
বুধবার সকালের সূর্যোদয় রাজ্যের কর্মরত সাংবাদিক মহলে গভীর শোকের বার্তা নিয়ে আসে ।সদা হাস্যময়, প্রাণ চঞ্চল নন্দু অর্থৎ নন্দন চক্রবর্তী আর নেই ।এদিন ভোরে দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার শান্তিরবাজার মহকুমাধীন রাজাপুর বাজার সংলগ্ন এলাকায় স্কুটি দুর্ঘটনায় ঘটনার স্থলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে সাংবাদিক নন্দন চক্রবর্তী ।সাত সকালে খবর পেয়ে শান্তিরবাজার অগ্নি নির্বাপক দপ্তরের দমকল কর্মীরা রাজাপুর বাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে গুরুতর আহত সংগ্রাহীন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে শান্তিরবাজার জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা স্যন্দন পত্রিকার সাংবাদিক নন্দন চক্রবর্তীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন ।ময়নাতদন্ত এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কাজকর্ম শেষে বুধবার বিকেলে প্রয়াত সাংবাদিক নন্দন চক্রবর্তীর নশ্বর দেহ আগরতলা প্রেস ক্লাবে নিয়ে আসা হয় ।সেখানে প্রেস ক্লাবের সদস্যরা চোখের জলে শেষ বিদায় জানান নন্দন চক্রবর্তীকে ।এই প্রসঙ্গে আগরতলা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রণব সরকার জানান ,ঘটনার বিস্তারিত এখনো জানা যায়নি ।দুর্ঘটনায় মাত্র ৪৫ বছরের একটি তরতাজা প্রাণ অকালেই ঝড়ে পড়ল। কর্তব্যরত সাংবাদিকদের চলাফেরায় এবং জীবনযাত্রায় আরও সংযত হতে আহ্বান জানান তিনি। প্রয়াত সাংবাদিক নন্দন চক্রবর্তীর বিদেহী আত্মার সদগতি কামনা করেন আগরতলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি প্রণব সরকার।
এদিন আগরতলা প্রেসক্লাব থেকে প্রয়াত নন্দন চক্রবর্তীর মরদেহ শকুন্তলা রোডস্হিত স্যন্দন পত্রিকার কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে স্যন্দন পত্রিকার সাংবাদিক এবং সংবাদকর্মীরা তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান ।এরপর মর দেহ নিয়ে যাওয়া হয় বটতলা মহাশ্মশানে ।পড়ন্ত বিকেলে বটতলা মহাশ্মশানে অন্তোস্টি ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাঁর।চিতা ভষ্মে পটে আঁকা ছবিতে রূপান্তরিত হয় প্রয়াত সাংবাদিক নন্দন চক্রবর্তী।



