জাতীয় শিক্ষা নীতি (এনইপি) ২০২০ সকলের বিশেষ করে প্রান্তিক ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জন্য সমতাভিত্তিক শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই নীতিতে ভারতীয় ভাষা সংরক্ষণ ও প্রসারের উপর যে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, তা যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ। আজ সকালে ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মহারাজা বীর বিক্রম শতবার্ষিকী ভবনে ‘এনইপি ২০২০: জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্যে শিক্ষানীতিকে বাস্তবে রূপদান’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী জাতীয় সেমিনারের উদ্বোধন করে রাজ্যপাল ইন্দ্র সেনা রেড্ডি নান্নু একথা বলেন। ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় নয়াদিল্লির ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ এডুকেশনাল প্ল্যানিং অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এনআইইপিএ) দ্বারাএই অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হযেছে। অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নান্নু বলেন, শিক্ষা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ভিত্তি, যা উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করে এবং আমাদের জাতীয় উৎপাদন প্রসারিত করে। একবিংশ শতাব্দীতে জ্ঞানই হয়ে উঠেছে উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি। “এনইসি ২০২০”-এর লক্ষ্য হলো একটি সামগ্রিক, বহুশাস্ত্রীয় এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করা। রাজ্যপাল আরও বলেন শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা অবশ্যই মাতৃভাষায় হতে হবে। এনইপি ২০২০-এর উদ্দেশ্য হলো শিক্ষর্থীদের সৃজনশীলতা এবং অনুসন্ধিৎসু মনোভাবকে উৎসাহিত করা। রাজ্যপাল বলেন, বিশ্বকে নতুন রূপদানকারী প্রযুক্তিগত সুনামিকে উপেক্ষা করা যায় না। শিক্ষাক্ষেত্রে রোবোটিক্সসহ ডিজিটাল এবং উন্নত এআই প্রযুক্তির একীকরণ একাধারে একটি উত্তেজনাপূর্ণ সুযোগ এবং একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ। কিভাবে প্রযুক্তিকে আমাদের জ্ঞানীয় ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা যায় সে বিষয়ে সেমিনারে আলোচনা করার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন রাজ্যপাল। অনুষ্ঠানে নতুন জাতীয় শিক্ষা নীতি-২০২০ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর শ্যামল দাস। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ভি গুপ্তা ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর এস কে শীল প্রমুখ। লোক ভবন থেকে এই সংবাদ জানানো হয়েছে।



