আপৎকালীন ব্যবহারের জন্য বটতলা মহাশ্মশানে তৈরি হচ্ছে নতুন চুল্লি। পাশাপাশি বটতলা মহাশ্মশানের সৌন্দর্যায়নের কাজ বুধবার থেকে শুরু হল। প্রসঙ্গত বর্ষায় হাওড়ার জল ঢুকে প্রায় সময়ই জলমগ্ন হয়ে পড়ে বটতলা মহাশ্মশান।শবদেহ নিয়ে আসার পর সমস্যায় পড়তে হয় শববাহিদের। সেদিকে লক্ষ্য রেখে আপৎকালীন ব্যবহারের জন্য রাস্তার পাশে তৈরি করা হবে নতুন চুল্লি। পাশাপাশি সৌন্দর্যজন বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে বসানো হবে ফোয়ারা লাগানো হবে হাই মাস্ট লাইট। শব দেহের সঙ্গে আশা লোকেদের বসার জন্য ব্যবস্থা করা হবে চেয়ারের।
সেদিকে লক্ষ্য রেখে বুধবার মেয়র দীপক মজুমদার বটতলা মহা শ্মশান পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন কালে উনার সঙ্গে ছিলেন কর্পুরেটর জাহ্নবী দাস দাস দত্ত সহ পুর নিগমের আধিকারিকরা। পরিদর্শনকালে মেয়র বলেন, বটতলা মহাশ্মশানকে আধুনিকভাবে সাজিয়ে তুলার লক্ষ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। বর্ষাকালে শব দেহ সৎকারের সমস্যা সমাধানে রাস্তার পাশে তৈরি করা হবে আরেকটি চুল্লি। যা তৈরি হলে বর্ষাকালে সৎকারের সমস্যার অনেকটাই
সমাধান হবে। পাশাপাশি মহাশ্মশানের ঐতিহ্যবাহী শিব মন্দিরটি আধুনিক ব্যবস্থার মাধ্যমে উপরে তুলে সংস্কার করা হবে। বসানো হবে ফোয়ারা। আলোকিত করার লক্ষ্যে লাগানো হবে হাইমাস্ট লাইট। সব বাহিদের বসার জন্য ব্যবস্থা করা হবে চেয়ারের। প্রায় ৮৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই কাজ করা হচ্ছে। এবছর বর্ষার আগে তৈরি হয়ে যাবে চুল্লিটি। অন্যান্য কাজও ছয় মাসের ভেতর সম্পূর্ণ হবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি এই দিন তিনি বলেন পুরো নিগম থেকে বিনা পয়সায় সৎকারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফলে শতকালকালে কেউ যদি কোন ধরনের উৎকোচ চেয়ে থাকে তবে তার ভিডিও ধারণ করে রাখার জন্য অনুরোধ করেন। পরবর্তীতে এই ভিডিওর মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি করা হুশিয়ারি দেন।



