রাজ্যে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বাঁশ চাষ, বাঁশের আধুনিক নার্সারি তৈরী করা, টেকসই বাঁশ সংরক্ষণ পদ্ধতি, সহজতর পরিবহণ ব্যবস্থা, বাঁশজাত পণ্যের মূল্য শৃঙ্খলকে শক্তিশালী করার মতো বিভিন্ন পরিকল্পনা রূপায়ণ করছে রাজ্য সরকার। রাজ্যে বাঁশবেত শিল্পের উন্নয়নে এবং এর সাথে যুক্ত শ্রমিকদের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নে রাজ্য সরকার এসব পরিকল্পনা রূপায়ণের কাজ করছে। এধরণের পদ্ধতিগত উন্নয়ন এই শিল্পের বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে, জীবিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং ত্রিপুরা এই শিল্পের একটি নির্ভরযোগ্য স্থান হিসেবে পরিগণিত হবে। আজ প্রজ্ঞাভবনে ব্যাম্বু ভ্যালোচেইন ডেভেলপমেন্ট বিষয়ে আয়োজিত কর্মশালার উদ্বোধন করে বনমন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মা একথা বলেন।
বনমন্ত্রী বলেন, বাঁশভিত্তিক শিল্প ত্রিপুরার ঐতিহ্য। একটা সময়ে ত্রিপুরায় দৈনন্দিন কাজে ব্যাপক পরিমাণে বাঁশ ব্যবহার করা হত এবং বহু পরিবার বাঁশভিত্তিক কাজে জীবিকা নির্বাহ করতেন। বাঁশভিত্তিক শিল্পের এখনও ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। রাজ্যের ব্যাপক অংশের মানুষ বাঁশ চাষ এবং বাঁশভিত্তিক শিল্পের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তাদের জীবন জীবিকার উন্নয়নে রাজ্য সরকার বন দপ্তরের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকল্প রূপায়ণ করছে। রাজ্যের গ্রামীণ জনগণকে তাদের নিজস্ব জমিতে আরও বেশি পরিমাণে বাঁশ চাষ করার জন্য বনমন্ত্রী আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বন দপ্তরের প্রধান সচিব আর কে শ্যামল, শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্যে (ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে), ত্রিপুরা ব্যাম্বু মিশনের অধিকর্তা ড. দীপক কুমার, বিশ্ব ব্যাংকের কো-টাস্ক টিম লিডার রাজ গাঙ্গুলী প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইএলইএমইএনটি প্রজেক্ট এর সিইও চৈতন্য মূর্তি। সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য রাখেন এলিমেন্ট প্রজেক্ট-র অধিকর্তা অমলেন্দু দেবনাথ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর এলিমেন্ট প্রকল্পের বিভিন্ন বিষয়ে অতিথিগণ বক্তব্য রাখেন।



