যার সুচারু লেখনিতে বাংলা উপন্যাস ,সাহিত্য ও কবিতা সমৃদ্ধ হয়েছিল ,যার রচিত বন্দেমাতারম মন্ত্রে ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামকে বহুমাত্রায় তরম্বিত করেছিল , সেই সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ১৮৬ তম জন্মবার্ষিকী বুধবার গোটা দেশে পালিত হচ্ছে ।এই উপলক্ষে রাজ্য সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে এক শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় ।এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী সহ অন্যান্যরা।বুধবার সারা দেশের সাথে রাজ্যেও সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ১৮৬ তম জন্মবার্ষিকী যথাযথভাবে পালিত হয় ।এই উপলক্ষে রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে এক শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় ।রাজ্য সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ।এই অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। অনুষ্ঠানের শুরুতেই সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মন্ত্রী ।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শিক্ষাজীবন, প্রশাসনিক, সাহিত্যিক এবং রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন বিষয়গুলি তুলে ধরেন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী ।মন্ত্রী জানান, কর্মজীবনে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় , তার লেখনীতেও সমাজব্যবস্থার বিভিন্ন দিকগুলি স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে ।তেমনি ভাবে স্বাধীনতা আন্দোলনেও যথেষ্ট সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।এই অনুষ্ঠানে সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিভিন্ন দিকগুলি নিয়ে বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সচিব ড. প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী ,বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মনীষ রুদ্রপাল ও রাজ্যভিত্তিক সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত চক্রবর্তী।



