খোয়াই প্রতিনিধি ১৪ ই আগস্ট……..স্বাধীনতা দিবসের দুই দিন আগে ৮ লক্ষ টাকার নেশা সামগ্রী সহ গ্রেপ্তার এক নেশা কারবারি ।যেখানে স্বাধীনতা দিবসকে কেন্দ্র করে অ্যটোস্যাটো নিরাপত্তার ব্যবস্থাকরা হয়েছে এর মধ্যেও বন্ধ নেই নেশা কারবারিদের পাচার বাণিজ্য। রাত পোহালেই স্বাধীনতা দিবস। রাজ্যজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। এতকিছুর পর ও রবিবার গভীর রাতে আগরতলা থেকে খোয়াই এর ইন্দু বাংলা সীমান্ত গ্রাম উত্তর দুর্গানগর এলাকায় পৌঁছায় ৫৯১ টি নেশা দ্রব্য এসকপ সিরাপ। রাতেই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খোয়াই জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজিব সূত্রধরের নেতৃত্বে খোয়াই থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী হানা দেয় উত্তর দুর্গানগর এলাকায় জনৈক লিটন দেব এর বাড়িতে। তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৮ লক্ষ টাকার নেশা সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করে। পুলিশ নেশা সামগ্রী সহ লিটনকে গ্রেফতার করে রাতেই খোয়াই থানায় নিয়ে আসে। তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা নম্বর ৬১/২৩ U/ S ২১(c)/২৫/২৯ NDPS ধাড়ায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে খোয়াই থানার পুলিশ। রাতেই জিজ্ঞাসাবাদে লিটন স্বীকার করে নেয় যে এই নেশা সামগ্রী গুলি তার নয় নেশা সামগ্রী গুলি তার মালিক বিশ্বজিৎ দত্ত ওরফে বাপনের । বাপন দীর্ঘদিন ধরেই খোয়াই মহাকুমা জুড়ে নেশা সামগ্রীর রেকেট চালিয়ে যাচ্ছিল। অথচ পুলিশ নেশা বাণিজ্যের মাস্টারমাইন্ড বাপন দত্তকে জালে না তুলে তার কর্মচারীকে তুলে আনেন। যদিও কর্মচারী লিটন দেবের বাড়িতেই পুলিশ এই নেশা সামগ্রী গুলি উদ্ধার করে। এই বিশাল পরিমাণ নেশা সামগ্রী গুলি বাংলাদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে এখানে মজুদ করে রাখা হয়েছিল বলে জানা যায়। সোমবার দুপুরে লিটন দেব কে আদালতে প্রেরণ করেন এবং খোয়াই থানার পুলিশ 5 দিনের পুলিশ রিমান্ড চায়। খোয়াই এর মাননীয় সি জি এম আদালত তিন দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেন লিটন দেবের। সোমবার লিটনকে ছাড়াতে বিভিন্ন জায়গায় দৌড়ঝাঁপ করেছে বিশ্বজিৎ দত্ত ওরফে বাপন দত্ত। লিটনকে পুলিশি রিমান্ডে নিয়ে জোর জিজ্ঞাসাবাদ করলে বাপন দত্ত সহ নেশা-বানিজের সাথে জড়িত বহু রাঘব বোয়ালের নাম বেরিয়ে আসবে বলে অভিমত খোয়াই এর সচেতন মানুষের। এখন দেখার বিষয় সঠিক তথ্য হাতে পেয়েও পুলিশ কখন খোয়াই নেশা বাণিজ্যের সম্রাট বিশ্বজিৎ দত্ত উরফে বাপনকে জালে তুলতে সক্ষম হয় তাই দেখার বিষয়।



