খোয়াই প্রতিনিধি ৪ঠা জুলাই……সোমবার দিনটি ছিল গুরু পূর্ণিমা আর এই গুরু পূর্ণিমাকে সামনে রেখেই খোয়াই তথ্য-সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে এবং. খোয়াই কালচারাল ছেলের পরিচালনায় সোমবার সন্ধ্যা ৭ঃ০০ টায় খোয়াই এর নতুন টাউন হলে অনুষ্ঠিত হলো গুরু পূর্ণিমা উপলক্ষে গুরু সংবর্ধনা অনুষ্ঠান গুরুবে নম উক্ত অনুষ্ঠানে প্রদীপ জ্বালিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন রাজ্য বিধানসভার মুখ্য সচেতক শ্রীমতি কল্যাণী রায়।এছাড়া অনুষ্ঠানের মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক পিনাকি দাস চৌধুরী,খোয়াই এর জেলা শাসক দিলীপ কুমার চাকমা,অতিরিক্ত জেলাশাসক সুভাষ চন্দ্র সাহা,খোয়াই জিলা পরিষদের সভাধিপতি জয়দেব দেববর্মা,সদস্য সুব্রত মজুমদার,পঞ্চায়েত সমিতির ভাইস চেয়ারপারসন তাপস কান্তি দাস,খোয়াই পুরো পরিষদের চেয়ারম্যান দেবাশীষ নাথ শর্মা।এদিন অনুষ্ঠানের শুরুতেই গুরু পূর্ণিমা উপলক্ষে গুরুদেরশ্রদ্ধা জানাতে গুরু বন্দনার গানটি পরিবেশন করেন কালচারাল ছেলেরশিল্পীরা ভব সাগর তারন কারণ হে রবি নন্দন খন্দন খন্দনহেএই গানটি দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয় এরপর মঞ্জুসা নৃতালয়ের শিল্পীরা অভিনব কোডিও গ্রাফীর মাধ্যমে বিভিন্ন নৃত্য পরিবেশন করেন।এরপর মঞ্চে উপস্থিত বিভিন্ন অতিথিরা ৬ জন গুরুজনকে সালের চাদর পড়িয়ে মানপত্র দিয়ে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করেন।এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক পিনাকী দাস চৌধুরী ও রাজ্য বিধানসভার মুখ্যসচেতক শ্রীমতি কল্যাণী রায় বলেন সবার জীবনে প্রথম গুরু হলেন পিতা-মাতা এরপর শিক্ষা গুরু এরপর দীক্ষা গুরু।আমাদের জীবনের পথ চলা শুরু হয় প্রথম শিক্ষা গুরু পিতা-মাতার হাত ধরেই এরাই জীবনের প্রথম পাঠ শেখায় এর পাশাপাশি জীবনে চলার প্রথম পদক্ষেপ অর্থাৎ হাটা পিতা-মাতার হাত ধরেই শুরু করতে হয় তাই পিতা-মাতা প্রথম গুরু।তাই সর্বদা তাদেরকে সম্মান করতে হবে পাশা পাশি শিক্ষাগুরু ও দীক্ষা গুরুদের কেউসম্মান করতে হবে ওরা সবাই মিলে আমাদের জীবনের পথ চলাটা মসৃণ করে দিয়েছে।এই পরম্পরাটা শুরু করেছিলেন আজ থেকে কয়েক হাজার বছর আগে মহর্ষি বেদ ব্যায়াস।এই প্রথাটা এক সময় ত্রিপুরা রাজ্যেও ছিল কিন্তু মধ্যে কিছু রাজনৈতিক দলের উৎপীড়নের কারণে সেই প্রথাটি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল যা খুবই লজ্জাজনক।কিন্তু২০১৮ সালের পর নতুন সরকার আসার পরও এই প্রথাটিকে চালু করতে পারেনিযে রাজ্যবাসী ও সরকারের জন্য একটি লজ্জাজনক বিষয়।এরপরও খোয়াইতথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে টাউন হলে এই মুহূর্তে অনুষ্ঠানটি পালিত হচ্ছে।যার জন্য গুরুদেরকে সংবর্ধনা করতে পেরে আনন্দিত উপভোগ করছেন অতিথিরা তেমন তাদেরকে সংবর্ধনা করার কারণে নিজেরও ধন্য হয়েছেন বলে মন্তব্য করেন শ্রীমতি কল্যাণী রায়।তিনি এও বলেন সমস্ত গরুদের কে আমাদের সম্মান করতে হবে বর্তমান সময়ে সমাজের যা অবস্থা চলছে তাতে করে যুবসমাজ একেবারে ধ্বংসের মুখে চলে গেছে বিভিন্ন নেশার কারণে। আর তাদেরকে সঠিক পথ দেখাতে পারবে তাদের মতন গুরুজনেরাই বর্তমান সময়ে গুরুদের যদি সম্মান প্রদর্শন না করা যায় তাহলেনা এগিয়ে যেতে পারবেনা সমাজ না এগিয়ে যেতে পারবে শিক্ষার্থীরা না এগিয়ে যাবে ভালো চিন্তা ধারা।এই ধরনের গুরুদের কারণে আজ আমরা সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়ে ওদেরকে সম্মানিত করতে পারেছি তাই প্রত্যেককে অনুরোধ করেন যাতে গরুদেরকে সম্মান করেন আর অনুষ্ঠানটি সারা রাজ্যে ছড়িয়ে যাবেবলে মনে করেন কল্যাণী রায়।



