Thursday, March 5, 2026
বাড়িখবরশীর্ষ সংবাদমহকুমা প্রশাসন এবং রাজ্য প্রশাসন'কে ঘুমে রেখে তেলিয়ামুড়ার একাংশ ব্যাবসায়ীরা মেয়াদ উত্তীর্ণ...

মহকুমা প্রশাসন এবং রাজ্য প্রশাসন’কে ঘুমে রেখে তেলিয়ামুড়ার একাংশ ব্যাবসায়ীরা মেয়াদ উত্তীর্ণ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী প্রত্যন্ত এলাকা গুলিতে বিক্রি করছে অহরহ ভাবে। অবোঝ জনজাতি অংশের মানুষজন ব্যাপারটা উপলব্ধি করতে পারছে না।

মূলত মুঙ্গিয়াকামি আর.ডি ব্লকের অধীনে আঠারো মুড়া পাহাড়ের বিভিন্ন জনপদ গুলিতে মেয়াদ উত্তীর্ণ সামগ্রীর রমরমা ব্যাবসা। আদতে আঠারো মুড়া পাহাড়ের বিভিন্ন উপজাতি পল্লী গুলিতে শিক্ষার মান একেবারেই তলানিতে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তেলিয়ামুড়া , আমবাসা, কুমারঘাট সহ আগরতলার বিভিন্ন এলাকার কিছু অসাধু ব্যাবসায়ী বিভিন্ন কোম্পানির মেয়াদ উত্তীর্ণ খাদ্য সামগ্রী গুলি জনজাতিদের দোকানিদের কাছে বিক্রি করে যাচ্ছে। ফলে ঐসব দোকানীরা মেয়াদ উত্তীর্ণ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী এলাকারই অবোঝ জনজাতিদের কাছে বিক্রি করছে। এছাড়া ঠান্ডা পানীয় এবং বেকারি শিল্পের বিভিন্ন সামগ্রী বিক্রি হচ্ছে দেদার ভাবে জনজাতি পল্লী গুলিতে। অভিযোগে জানা যায়,, আমবাসা এলাকার ব্যাবসায়ী রাধাকৃষ্ণ কোম্পানির নমকিন ভুজিয়া বিক্রি করে যায় জনজাতির দোকানিদের কাছে। অভিযোগে জানা যায়,, ওই নমকিন ভুজিয়া তৈরি হয়েছিল সেপ্টেম্বর মাসের ৪ তারিখ ২০২২। জানা যায়,, ওই নমকিন ভুজিয়ার গায়ে মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য তিন মাস লেখা থাকে। কিন্তু তিন মাস অতিক্রান্ত হয়ে বর্তমানে মার্চ মাস চলছে। স্বাভাবিকভাবেই ওই সামগ্রীর মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যায়। এরপরেও মেয়াদ উত্তীর্ণ সামগ্রী গুলি অহরহভাবে বিক্রি হচ্ছে জনজাতি পল্লী গুলিতে। এ ব্যাপারে মহকুমা প্রশাসনের কোন হেলদোল নেই। তবে তেলিয়ামুড়া মহকুমা খাদ্য দপ্তরের আধিকারিকরা যাতে অতিসত্বর জনপদ বিভিন্ন দোকান গুলিতে হানাদারী চালিয়ে মেয়াদ উত্তীর্ণ সামগ্রী গুলি বাজেয়াপ্ত করে।

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

fifteen + one =

- Advertisment -spot_img

জনপ্রিয় খবর

সাম্প্রতিক মন্তব্য