গত ১৮ই ফেব্রুয়ারি কল্যানপুর থানাধীন ২৪ রামচন্দ্র ঘাট বিধানসভা অন্তর্গত দ্বারিকাপুরের গিরীন্দ্র শীল পাড়ায় বাম কর্মী দিলীপ শুক্র দাস(৫০) মর্মান্তিকভাবে নিহত হন। ইতিমধ্যে গোটা ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মূল অভিযুক্ত তথা বিজেপি দলের গ্রাম প্রধান কৃষ্ণ কমল দাস সহ অপর অভিযুক্ত সরুজ দাস গ্রেপ্তার হয়ে পুলিশ রিমান্ডে রয়েছেন। আজ অর্থাৎ একুশে ফেব্রুয়ারি ঘটনার চার দিনের মাথায় সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরীর নেতৃত্বে এক উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল নিহত দিলীপ শুক্ল দাসের বাড়িতে গিয়ে শোক সন্তপ্ত পরিবার-পরিজনদের প্রতি সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি আগামী দিনে যেকোনো প্রয়োজনে সামর্থ্য অনুযায়ী পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন। আজকের এই প্রতিনিধি দলে জিতেন্দ্র চৌধুরী ছাড়াও অন্যান্যদের মাঝে ছিলেন সিপিআইএম নেতা পবিত্র কর, সুধন দাস, নির্মল বিশ্বাস, মণীন্দ্রচন্দ্র দাস প্রমূখ। বাম প্রতিনিধি দল নিহতের বাড়িতে অবস্থানকালে গোটা ঘটনা সম্পর্কে অবগত হন। এদিকে দ্বারিকাপড়ে দাঁড়িয়ে সংবাদ মাধ্যমের সাথে কথা বলতে গিয়ে সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী প্রথমেই বাম কর্মী দিলীপ সকলের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। পাশাপাশি শ্রী চৌধুরীর ভাষ্য অনুযায়ী ঐদিন অভিশপ্ত রাতে গোটা এলাকার মানুষ প্ররোচনায় ফাঁদে পা না দিয়ে যথেষ্ট বুদ্ধিমত্ততার পরিচয় দিয়েছেন। পাশাপাশি সিপিআইএমের এই শীর্ষ নেতা দাবি করেন যেভাবে উৎসবের মেজাজে রাজ্যের মানুষ দীর্ঘক্ষন অপেক্ষা করেও নজিরবিহীন ভাবে এ রাজ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন তাতে করে শাসক শিবির পরাজয়ের আতঙ্কে ভুগছে, আর এই পরাজয়ের আতঙ্ক থেকেই আগামী দিনে রাজ্যের মধ্যে উশৃংখলতার বাতাবরণ তৈরি করার জন্য বিভিন্নভাবে শাসক দল খুন, সন্ত্রাস অগ্নিসংযোগের মত ঘটনাগুলো সংঘটিত করে চলেছে বলে এদিন অভিযোগ করেন জিতেন্দ্র চৌধুরী। শ্রী চৌধুরী দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে জানান,,,, মানুষের নির্বাচনের সদর্তক অংশগ্রহণ প্রমাণ করছে এ রাজ্যে বর্তমান দুঃশাসনের অবসান ঘটতে চলেছে। এদিকে জিতেন চৌধুরী সহ উচ্চ পর্যায়ের বাম প্রতিনিধি দলের দ্বারিকাপুরের গিরীন্দ্র শীল পাড়ায় সফর সম্পর্কে জানার পর ব্যাপক সংখ্যক বাম কংগ্রেস অনুগামী কর্মী সমর্থকরা ভিড় জমান। জিতেন চৌধুরী সহ বাম নেতৃত্বদের কল্যাণপুর সফর নিয়ে পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকে সকাল থেকেই গোটা কল্যাণপুর এবং সন্নিহিত এলাকায় আটোসাটো নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়।।



