Tuesday, July 23, 2024
বাড়িখবরশীর্ষ সংবাদসি বি এস ইর দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় কলা বিভাগে পঞ্চম স্থানাধিকারি খোয়াইয়ের...

সি বি এস ইর দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় কলা বিভাগে পঞ্চম স্থানাধিকারি খোয়াইয়ের কৃতি ছাত্র সাগ্নিক চৌধুরীকে সংবর্ধনা দিলেন বিধায়ক।

বাসুদেব ভট্টাচার্জী খোয়াই ২৯ শে জুন…আবার ও চলতি বছর সি বি এস ই এর দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষায় কলা বিভাগ থেকে খোয়াই শহরের এক কৃতি ছাত্র সাগ্নিক চৌধুরী তথা রিক খোয়াই জেলার মুখ উজ্জ্বল করলো।পরিবার সূত্র জানা যায় আগরতলা প্রণবানন্দ বিদ্যামন্দির থেকে খোয়াই এর ছেলে কলা বিভাগের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র তথা খোয়াই অরবিন্দ পার্কের বাসিন্দা সংগ্রাম চৌধুরীর একমাত্র ছেলে সাগ্নিক চৌধুরী ওরফে রিক পঞ্চম স্থান অধিকার করায় শনিবার দুপুরে ওর বাড়িতে গিয়ে ফুলের তোড়া ও মানপত্র হাতে তুলে দিয়ে সাগ্নিক চৌধুরীকে সংবর্ধনা দিলেন খোয়াইয়ের বিধায়ক নির্মল বিশ্বাস।উনার সাথে ছিল এস এফ আই সংগঠনের সম্পাদক নারায়ন দাস,রাজ্য কমিটির সদস্যা সায়ন্তিকা দেব,সাগর পাল ও পার্থ সবর।জানা যায় সাগ্নিক চৌধুরী এবছর সি বি এস ইর দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষায় কলা বিভাগ থেকে শতকরা ৯৬শতাংশ নম্বর পেয়ে পঞ্চম স্থান অধিকার করেছে।পাশাপাশি মূল পাঁচটি বিষয় সহ অতিরিক্ত বিষয়টি মিলিয়ে ছয়টি বিষয়ে লেটার্স মার্ক পায়।ছোটবেলা থেকে খুব মেধাবী ছিল সাগ্নিক মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিলা খোয়াই ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যালয় থেকে তখন সে ৯০% নম্বর পেয়ে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছিল।এরপর চলে যায় আগরতলা প্রণবানন্দ বিদ্যামন্দিরে সেখানে কলা বিভাগ নিয়ে ভর্তি হয়।তাছাড়া ছোটবেলা থেকেই একটা ইচ্ছে ছিল যে আইন বিভাগ নিয়ে পড়াশোনা করে ভবিষ্যতে আইনজীবী হবেন ওর সেই মনোবাঞ্ছনাও পূর্ণ হল ভালো ফলাফলের জন্য।তবে মনে একটু আক্ষেপ রয়ে গেছে যে আরও একটু বেশি নম্বর পেত যদি না পরীক্ষা চলাকালীন ঠাকুরমা মারা না যেত।সাগ্নিকের চতুর্থ পরীক্ষার আগের দিন তার অসুস্থ ঠাকুরমা মারা যায় এবং শেষ পরীক্ষাটি ছিল ঠাকুরমার শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানের দিন।বাড়ির এক নাতি হওয়ার কারণে ঠাকুরমা নাতিকে খুব আদর করতো নাতি ও ঠাকুর মা বলতে অজ্ঞান ছিল কিন্তু হঠাৎ ঠাকুরমা মারা যাওয়ার কারণে অনেকটাই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন সাগ্নিক তাই তার পরীক্ষায় কিছু ব্যাঘাত ঘটে অন্যথায় আরো একটু ভাল ফলাফল করতে পারত বলে বলে জানান সাগ্নিক তারপরও এই ফলাফলে সে অনেকটাই খুশি।বর্তমানে সে আগরতলা নরসিংগড় স্থিত জাতীয় আইন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে বলে জানায় সাগ্নিক চৌধুরী।পিতা সংগ্রাম চৌধুরী একজন রাবার ব্যবসায়ী মা হাসি মনি চক্রবর্তী একজন গৃহিণী তবে এক ছেলের এই সাফল্যে পিতা-মাতা ও আত্মীয় পরিজন এলাকাবাসী ব্যাপক খুশি।লেখাপড়ার পাশাপাশি সাগ্নিকে আরেকটি প্রতিভা রয়েছে সেটি হলো অঙ্কন করা।ছোটবেলা থেকেই এলাকার অঙ্কন প্রশিক্ষক অমল নাথ শর্মার হাত দিয়ে তৈরি হয়েছেন সাগ্নিক তার কিছু কিছু অংকন করা ছবি নিজ বাড়ি ঘরে রয়েছে যা চোখে পড়ার মতন এক কথায় দুর্দান্ত আর্ট করে সাগ্নিক যা না দেখলে কেউ বিশ্বাস করতে পারবে না তার এই প্রতিভার কথা একদম ছোট থেকেই অঙ্কন শিক্ষায় পারদর্শী হয়ে উঠেছিল সাগ্নিক চৌধুরী।তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনায় সবাই প্রাণ খুলে আশীর্বাদ করেছেন।

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

1 × four =

- Advertisment -spot_img

জনপ্রিয় খবর

সাম্প্রতিক মন্তব্য