Friday, September 4, 2026
বাড়িখবররাজ্যআগরতলায় রামকৃষ্ণ মিশনের উদ্যোগে একাধিক বিদেশি ভাষায় যোগাযোগভিত্তিক কোর্স চালু

আগরতলায় রামকৃষ্ণ মিশনের উদ্যোগে একাধিক বিদেশি ভাষায় যোগাযোগভিত্তিক কোর্স চালু

আগরতলায় ভাষাশিক্ষার ক্ষেত্রে নতুন উদ্যোগ নিল রামকৃষ্ণ মিশন। রামকৃষ্ণ মিশন স্কুল অফ ল্যাঙ্গুয়েজেস এবং রামকৃষ্ণ মিশন সেন্টার ফর হিউম্যান এক্সিলেন্স, আগরতলার যৌথ উদ্যোগে শুরু হয়েছে যোগাযোগভিত্তিক বিভিন্ন ভাষার কোর্স। ত্রিপুরা সরকারের দক্ষতা উন্নয়ন বিভাগের (Department of Skill Development) সহযোগিতায় এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে এই উদ্যোগের আওতায় ইংরেজি, ফরাসি, জার্মান, জাপানি এবং স্প্যানিশ—এই পাঁচটি ভাষায় যোগাযোগভিত্তিক বা Communicative Language Course পরিচালনা করা হচ্ছে। মূলত ভাষার ব্যাকরণগত জ্ঞানের পাশাপাশি বাস্তব জীবনে কার্যকরভাবে ভাষা ব্যবহারের দক্ষতা গড়ে তোলার উপর এই কোর্সগুলিতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ভাষাশিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও তরুণ প্রজন্মের যোগাযোগ দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যোগাযোগের ক্ষেত্রে তাঁদের আরও সক্ষম করে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে জানা গেছে। গোলপার্কের রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অফ কালচারের সহযোগিতায় ইতিমধ্যেই কোর্সগুলির ক্লাস শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে আগরতলায় বসেই বিভিন্ন বিদেশি ভাষা শেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে আগ্রহী শিক্ষার্থী ও অন্যান্যদের জন্য। এই উদ্যোগকে আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনাও রয়েছে রামকৃষ্ণ মিশনের। পর্যায়ক্রমে হায়দ্রাবাদের বিবেকানন্দ সেন্টার অফ হিউম্যান এক্সিলেন্সের সহযোগিতায় আরও বিভিন্ন ধরনের কোর্স চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে ভবিষ্যতে ভাষাশিক্ষার পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়নের আরও একাধিক সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বর্তমান সময়ে কর্মসংস্থান ও শিক্ষাক্ষেত্রে যোগাযোগ দক্ষতার গুরুত্ব ক্রমশ বাড়ছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক সংস্থা, পর্যটন, আতিথেয়তা, শিক্ষা, প্রযুক্তি এবং বিভিন্ন পেশাগত ক্ষেত্রে বিদেশি ভাষার জ্ঞান বাড়তি সুযোগ তৈরি করতে পারে। সেই দিক থেকে রামকৃষ্ণ মিশনের এই উদ্যোগকে দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রেও তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ত্রিপুরা সরকারের দক্ষতা উন্নয়ন বিভাগের সহযোগিতায় পরিচালিত এই উদ্যোগ রাজ্যের যুবসমাজকে নতুন ধরনের দক্ষতার সঙ্গে যুক্ত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। একইসঙ্গে বিভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি হওয়ায় এর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্বও রয়েছে।আগরতলায় ইতিমধ্যেই ক্লাস শুরু হওয়ায় আগ্রহী শিক্ষার্থী ও ভাষাপ্রেমীদের মধ্যে এই উদ্যোগ নিয়ে উৎসাহ তৈরি হয়েছে। আগামী দিনে নতুন নতুন কোর্স যুক্ত হলে ভাষা ও দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে এই উদ্যোগ আরও বিস্তৃত পরিসরে কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

2 × 2 =

- Advertisment -spot_img

জনপ্রিয় খবর

সাম্প্রতিক মন্তব্য