Monday, March 4, 2024
বাড়িখবররাজ্যজয়ের হ্যাটট্রিক! বিশ্বমৈত্রীর বার্তা দিয়ে বইমেলার শ্রেষ্ঠ মণ্ডপ পারুল প্রকাশনীর!

জয়ের হ্যাটট্রিক! বিশ্বমৈত্রীর বার্তা দিয়ে বইমেলার শ্রেষ্ঠ মণ্ডপ পারুল প্রকাশনীর!

৪২তম আগরতলা বইমেলায় শ্রেষ্ঠ মণ্ডপসজ্জার প্রথম পুরস্কার জিতে নিয়ে পর পর টানা তৃতীয়বার জয়ের হ্যাটট্রিক করল পারুল প্রকাশনী। পারুলের এবারের পুরস্কারবিজয়ী স্টলের থিম ছিল জি-২০, বিচারকদের মতে যার শৈল্পিক উৎকর্ষ অবিসংবাদিত। আজ বইমেলা প্রাঙ্গণে ত্রিপুরা সরকারের তথ্য সংস্কৃতি দপ্তর আয়োজিত এক ভাবগম্ভীর অনুষ্ঠানে পারুল প্রকাশনীর ডিরেক্টর জয়জিৎ সাহার হাতে শ্রেষ্ঠ মণ্ডপসজ্জার পুরস্কার তুলে দিলেন ত্রিপুরা বিধানসভার অধ্যক্ষ বিশ্ববন্ধু সেন। উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরার প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী জীষ্ণু দেববর্মা, ত্রিপুরা বিধানসভার বিধায়ক মিনা রানী সরকার, ত্রিপুরা সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সচিব পি কে চক্রবর্তী, দি অল ত্রিপুরা বুক সেলার্স অ্যান্ড পাবলিশার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক উত্তম চক্রবর্তী, ত্রিপুরা পাবলিশার্স গিল্ডের সম্পাদক অজিত দেববর্মা এবং পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলারস অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক রাখাল মজুমদার। বিচারক মণ্ডলীকে বিশেষ ভাবে আকর্ষণ করেছে পারুল প্রকাশনীর স্টলের নান্দনিক ডিজাইন। পারুল প্রকাশনীর ডিরেক্টর তথা সমাজসেবী জয়জিৎ সাহার শিল্প নির্দেশনায় জি ২০ থিমটি মণ্ডপে বিন্যস্ত হয়েছে সুসংগতভাবে। শুধুই পাপড়ি মেলা একটি পদ্মকে জীবন্ত করে তোলা নয়, জি-২o ভুক্ত প্রতিটি সদস্য দেশের জাতীয় পতাকাকে নকশায় স্থান দেওয়া হয়েছে সসম্মানে। ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ – সমগ্র বিশ্বই আমার আত্মীয় – জি ২০ র আয়োজক দেশ ভারত যে মন্ত্রে বিশ্বাসী, সেই মন্ত্রকেই বইমেলায় নিজেদের মণ্ডপে মূর্ত করল প্রকাশনায় বিশ্বমান ছুঁয়ে ফেলা পারুল প্রকাশনী। এইভাবে শুধু রাষ্ট্রনীতি বা অর্থনীতি নয়, প্রকাশনার মতো সারস্বত ক্ষেত্রেও বিশ্বে বিভিন্ন দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক মৈত্রীর প্রয়োজনীয়তা ও তাৎপর্য পারুল প্রকাশনী বুঝিয়ে দিল বলে মনে করছে আগরতলার শিক্ষা ও সাহিত্যজগত।পারুলের এই পুরস্কার প্রাপ্তির খবর পৌঁছতেই উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে রাজধানী আগরতলা এবং রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত। এই জয় শিল্পভাবনার জয়, উৎকর্ষের জয় বলে মনে করছেন ত্রিপুরার সুধী সমাজ। জয়ের হ্যাটট্রিক করে শ্রেষ্ঠত্বের অনন্য নজির গড়ার পেছনে জয়জিৎবাবু পারুল পরিবারের কর্ণধার গৌরদাস সাহার প্রেরণা ও অবদানের কথা স্বীকার করলেন। সেইসঙ্গে তিনি মণ্ডপসজ্জাকর্মী ও পারুল প্রকাশনীর আগরতলা কেন্দ্রের সব সদস্যকেও ধন্যবাদ জানাতে ভোলেননি। এই জয়কে জয়জিৎ উৎসর্গ করেছেন সমগ্র ত্রিপুরা রাজ্যবাসীর উদ্দেশে।

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -spot_img

জনপ্রিয় খবর

সাম্প্রতিক মন্তব্য